Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
মহসিন

অন্ধকারের সঙ্গে লড়তে হচ্ছে, আফশোস মোদির চপারে তল্লাশি চালানো আধিকারিকের

আইনি পথেই লড়তে চান, জানাচ্ছেন মহম্মদ মহসিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৯, ১৩:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৯, ১৩:৩৬

options
link
অন্ধকারের সঙ্গে লড়তে হচ্ছে, আফশোস মোদির চপারে তল্লাশি চালানো আধিকারিকের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাহসিকতার পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন সাসপেনশন, তাও আবার বেআইনিভাবে। আপাতত, অন্ধকারের সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে। জানাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টারে তল্লাশি চালানো আইএএস আধিকারিক মহম্মদ মহসিন। ভোটের মরশুমে সাহস দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টারে তল্লাশি চালিয়েছিলেন। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হয় তাঁকে। অভিযোগ উঠেছিল নিয়মবিরুদ্ধ কাজ করার। যার জেরে হতে হয় সাসপেন্ড। সেই সাসপেনশন খারিজ হয়ে গেলেও এখনও মাথায় ঝুলছে শাস্তির খাড়া। লড়াইটা আইনি পথেই চালিয়ে যেতে চান ১৯৯৬-এর ব্যাচ এর আইএএস।

[আরও পড়ুন: বিজেপির পাশেই আম্বানি পরিবার! এবার প্রধানমন্ত্রীর সভায় মুকেশ-পুত্র]

গত সপ্তাহেই ওড়িশার সম্বলপুরে সভা করতে যাওয়া নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টারে আকস্মিকভাবেই তল্লাশি চালান মহম্মদ মহসিন। তাঁর এই তল্লাশির জেরে ১৫ মিনিট হেলিকপ্টারেই বসে থাকতে হয় মোদিকে। যা নিয়ে হুলুস্থুল পড়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি জানিয়ে দেয়, মহসিন নিয়ম মেনে তল্লাশি চালাননি। তল্লাশির আগে তাদের অনুমতি নেওয়া হয়নি। এই অভিযোগের জেরে সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে। তখন থেকেই প্রবল মানসিক চাপে ভুগতে হয়েছে। কিছুটা স্বস্তি মেলে ক্যাটের নির্দেশে সাসপেনশন উঠে যাওয়ার পর। ক্যাট জানিয়ে দিয়েছে, তাঁকে সাসপেন্ড করা বেআইনি। এরপর অবশ্য, কমিশন বাধ্য হয়েছে সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে। কিন্তু, তাতে কি! এখনও শাস্তির ভ্রুকুটি কাটেনি। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য শাস্তি পেতে হতে পারে মহসিনকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পাঁচ বছরে সম্পত্তি বেড়েছে ৫২ শতাংশ, হলফনামায় জানালেন মোদি]

এত বিতর্কের মধ্যেও তিনি মুখ খুলছিলেন না। প্রথমবার মুখ খুলেই তিনি বললেন, “আমি তো শুধু কর্তব্য পালন করছিলাম, সেজন্যই আমাকে সাসপেন্ড করা হল। আমার কাছে কোনও রিপোর্টও চাওয়া হয়নি। কেউ আমাকে বলেওনি আমার দোষটা ঠিক কি। আমি নিজের জন্য অন্ধকারের সঙ্গে লড়াই করছি। আমি কেন কর্তব্য করার জন্য শাস্তি পাচ্ছি? যারা আসল ভুলটা করছে তাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। আমি আইনি পথেই লড়াই চালিয়ে যাব। আমার সাসপেনশন অনৈতিক, শাস্তি অনৈতিক।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.