সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টারে নির্বাচন কমিশনের ‘ফ্লাইং স্কোয়াডে‘র তল্লাশি এবং তার জেরে এক আইএএস অফিসারের সাসপেনশন নিয়ে সরগরম রাজনৈতিক মহল। সেইসঙ্গে প্রশাসনিক স্তরেও চলছে চাপানউতোর। প্রধানমন্ত্রী এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় থাকেন। সেই কারণে তাঁর হেলিকপ্টারে তল্লাশি চালানোর এক্তিয়ার নেই জানিয়ে বুধবার রাতেই সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেই ‘বিধি’ নিয়েই শোরগোল উঠেছে।
[আরও পড়ুন- ভারতের নির্বাচন থেকে দূরে থাকুন, ইমরানকে কড়া বার্তা রাম মাধবের]
প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, প্রধানমন্ত্রীর কপ্টারে তল্লাশির নির্দেশ দিয়ে সত্যিই তিনি বিধিভঙ্গ করেছেন কিনা। প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টি কমিশনের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে। কংগ্রেসের পক্ষে টুইটারে দাবি করা হয়েছে, এই নিয়ম প্রচারের সময় সরকারি যানের উপর প্রযোজ্য। তার মানে এই নয় যে প্রচারের সময় প্রধানমন্ত্রীর যে কোনও যানকেই তল্লাশি থেকে ছাড় দেওয়া যাবে। আপ-এর কটাক্ষ, “চৌকিদার কি কিছু লুকোতে চেষ্টা করছেন?”
[আরও পড়ুন- থানায় ঢুকে যুবককে চড়, বিতর্কে ত্রিপুরা কংগ্রেসের সভাপতি প্রদ্যুৎকিশোর ]
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টারে তল্লাশি চালানোর জন্য ফ্লাইং স্কোয়াডের এক আধিকারিককে সাসপেন্ড করে নির্বাচন কমিশন। কর্ণাটক ক্যাডারের ওই আইএএস অফিসারের নাম মহম্মদ মহসিন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের ১০ এপ্রিলে দেওয়া একটি নির্দেশে বলা হয়েছিল এসপিজি সুরক্ষার আওতায় থাকা ভিভিআইপিদের তল্লাশি থেকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টারে তল্লাশির নির্দেশ দিয়ে সেই নিয়ম ভেঙেছেন মহসিন। মঙ্গলবার ওড়িশার সম্বলপুরে নির্বাচনী সভায় গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেই সময়েই তাঁর হেলিকপ্টারে তল্লাশি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন ওই পর্যবেক্ষক। এর জন্য প্রায় পনেরো মিনিট আটকে ছিলেন নরেন্দ্র মোদি।
[আরও পড়ুন- আপৎকালীন তহবিল না পেয়ে বন্ধ জেট, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি কর্মীদের]
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ২০১৪ সালের সেই বিধিতে অবশ্য এমন কোনও নির্দেশ পাওয়া যাচ্ছে না। বরং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে তল্লাশি চালানো যেতে পারে, এমনটাই বলা হয়েছে সেই নির্দেশিকায়। নির্দেশে বলা হয়েছে, “নির্বাচনের প্রচারে বা নির্বাচন সংক্রান্ত যাতায়াতে কোনও ভাবেই সরকারি গাড়ির ব্যবহার করা যাবে না।” যাঁরা এসপিজি নিরাপত্তা পান, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “এক মাত্র প্রধানমন্ত্রী বা অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যাঁদের বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়া হয় চরমপন্থী বা সন্ত্রাসবাদী হামলার হাত থেকে সুরক্ষার জন্য, তাঁরা এই নির্দেশের আওতার বাইরে থাকবেন।”
সর্বশেষ খবর
-
সম্পত্তি নিয়ে জটিলতা, নিঃসন্তান দম্পতির পালিত পুত্রকে অপমান আত্মীয়দের! ‘আত্মঘাতী’ যুবক
-
‘পাঁঠার মাংস প্রসাদ’, পুজোয় আমিষ বিতর্কে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন দিলীপ ঘোষ
-
‘জুলাই জঙ্গি’ কটাক্ষ থেকে শারীরিক হেনস্তা, ইটালিতে বাঁধনের উপর আওয়ামি লিগের হামলা!
-
জল্পনার অবসান, অবশেষে নির্বাচনী ময়দানে লিয়েন্ডার, কবে ভোটে লড়বেন অলিম্পিক পদকজয়ী?
-
নাদিমুলের ৬০ কোটির অবৈধ লেনদেনে হাওয়ালা যোগ! ২৪ ঘণ্টা পর তল্লাশি সেরে বেরল ইডি