২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘বন্দে ভারত মিশন’-এর প্রথম ধাপ নির্বিঘ্নেই, দুবাই-আবু ধাবি থেকে দেশে ফিরলেন ভারতীয়রা

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: May 8, 2020 10:57 am|    Updated: May 8, 2020 10:57 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘বন্দে ভারত মিশন’ অভিযান প্রথম ধাপ পেরল নির্বিঘ্নেই। মরুপ্রদেশ আবু ধাবি ও দুবাই থেকে ৩৬৩ জনকে নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে দুটি ভারতীয় বিমান নামল কেরলে। বিমানে ওঠার আগেই আবু ধাবি ও দুবাইয়ে সমস্ত যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছিল। কেরলের কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে ফের শারীরিক পরীক্ষার মুখে পড়তে হল যাত্রীদের। সরকারি নির্দেশমতো, তাঁরা ৭ থেকে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন। বলা হচ্ছে, গালফ ওয়ারের পর বিদেশে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধারকাজের সবচেয়ে বড় নিদর্শন হতে চলেছে ‘বন্দে ভারত মিশন’। যাতে বিমান এবং নৌবাহিনীর জাহাজে করে ফেরানো হবে বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা প্রায় ১৫ হাজার ভারতীয়কে। যার প্রথম পর্ব নির্বিঘ্নেই মিটল।

লকডাউনে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর জন্য সোমবার ‘বন্দে ভারত মিশন’-এর কথা ঘোষণা করে কেন্দ্র। প্রথম ধাপে আবু ধাবি থেকে কোচি এবং দুবাই থেকে কোঝিকোড় – এই দুটি বিমানের ব্যবস্থা করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ৭ নাগাদ প্রথম বিমানটি ওড়ে আবু ধাবি থেকে কোচির উদ্দেশে। দ্বিতীয়টি বিকেল ৫টা ৪৬ নাগাদ দুবাই থেকে কোঝিকোড়ের উদ্দেশে রওনা দেয়। প্রত্যেকের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। রাত প্রায় ১০টা নাগাদ যখন কোচিতে নামে বিমানটি, তখনও আরেকদফা পরীক্ষা। এরপর এঁদের প্রত্যেকের RT-PCR করা হবে। তার ফলাফল অনুযায়ী স্থির করা হবে কাকে সরকারি কোয়ারেন্টাইন অথবা হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। যদিও অন্তঃসত্ত্বা এবং বয়স্কদের ইতিমধ্যেই হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার ঘোষণা করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ভাইজাগ গ্যাস দুর্ঘটনায় দায়ের এফআইআর, তদন্ত নিয়ে উঠছে প্রশ্ন]

চলতি মাসের ৭ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে ‘বন্দে ভারত মিশন’ অভিযান। ৬৪ টি বিমানের মাধ্যমে ১৩ তারিখের মধ্যে তা শেষ করে ফেলার লক্ষ্যমাত্রা কেন্দ্রের। আরব দেশগুলোর মতো ইউরোপ, আমেরিকা থেকেও নিজেদের খরচে, সরকারি সহায়তায় লকডাউনের মাঝে দেশে ফিরতে পারবেন ভারতীয়রা। ইউরোপ থেকে ফিরতে মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকা এবং আমেরিকা থেকে ফিরতে ১ লক্ষ টাকা করে গুনতে হবে। ঘরে ফেরার জন্য আবেদনও জমা পড়ছে লক্ষ লক্ষ। লন্ডন, নিউ ইয়র্ক, সান ফ্রান্সিসকো, শিকাগো-সহ একাধিক দেশে পাঠানো হবে বিমান। আর পশ্চিম এশিয়া, মালদ্বীপে ভারতীয়দের উদ্ধারে যাবে নৌবাহিনীর জাহাজ।

[আরও পড়ুন: দিল্লির সুরাপ্রেমীদের জন্য নতুন ব্যবস্থা, মদ কিনতে এবার অনলাইনে কুপন]

বলা হচ্ছে, নয়ের দশকে প্রথম গালফ ওয়ারের পর এটাই ভারতের সবচেয়ে বড় উদ্ধার অভিযান। সেসময় ১ লক্ষ ৭০ হাজার ভারতীয়কে ফেরানো হয়েছিল। এবারও এক যুদ্ধ, তবে তা মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে। আর এখানেও ত্রাতার ভূমিকায় ভারত।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement