২৭ আশ্বিন  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৫ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সর্বধর্ম সমন্বয় ভারতের ঐতিহ্য৷ এদেশের আতিথেয়তা, মানবিকতার নিদর্শন নতুন নয়৷ যদিও সম্প্রতি মেরুকরণের হাওয়ায় সেই পরমত সহিষ্ণুতা একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়েছে৷ অনেকেই বলছেন, সমন্বয়ের পরিবর্তে বিভাজনই নাকি হয়ে উঠেছে এদেশের ভবিতব্য৷ তবে এই অভিযোগকে এক্কেবারে মিথ্যা প্রমাণিত করলেন এয়ার ইন্ডিয়ার এক বিমানসেবিকা৷

[আরও পড়ুন: সরকার গড়তে চালকের আসনে নেই উত্তরপ্রদেশ, বুথ ফেরত সমীক্ষায় পূর্বাভাস]

দেশজুড়ে মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা রমজান মাস পালন করছেন৷ সেই তালিকায় ব্যতিক্রম নয় রিফাত জাওয়াইদ নামে এক সাংবাদিক৷ রোজার মধ্যেই গোরক্ষপুর থেকে দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিমানে চড়েছিলেন তিনি৷ এদিকে, বিকেল গড়িয়ে যাওয়ায় ইফতারের সময় এসে গিয়েছে৷ আসন ছেড়ে বিমানসেবিকার দিকে এগিয়ে যান তিনি৷ মঞ্জুলা নামে ওই বিমানসেবিকার থেকে জল চান৷ হাসিমুখে এক বোতল জল যাত্রীর দিকে এগিয়ে দেন তিনি৷ রোজা ভাঙার পর তৃষ্ণা মেটানোর জন্য আরেক বোতল জলের আরজি করেন ওই সাংবাদিক৷

তা শুনেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন মঞ্জুলা৷ নির্দিষ্ট আসনে গিয়ে সাংবাদিককে বসতে বলেন তিনি৷ মিনিটখানেকের মধ্যেই আবারও সহাস্যমুখে যাত্রীর সামনে এসে পৌঁছান বিমানসেবিকা৷ হাতে একটি ট্রে৷ তাতে রাখা রয়েছে খাবার এবং জল৷ প্রথমে হতবাক হয়ে যান রিফাত৷ খাবার নেওয়া উচিত না অনুচিত, বুঝতে পারছিলেন না তিনি৷ যাত্রী কী ভাবছেন, তা যেন কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারেন মঞ্জুলা৷ রোজা ভেঙে সামান্য খাবার খেয়ে নিতে বলেন৷ এরপর আর কোনও কথা বলেননি৷ খাবার,জল খেয়ে রোজা ভাঙেন রিফাত৷

[ আরও পড়ুন: খরায় বেহাল এলাকা, নর্দমার জল খাচ্ছেন গুজরাটের এই গ্রামের বাসিন্দারা!]

বিমানসেবিকার মানবিকতায় মুগ্ধ সাংবাদিক৷ সঙ্গে সঙ্গে টুইটে বিমানসেবিকার কথা লেখেন তিনি৷

রিফাতের মতো আর পাঁচজন নেটিজেনের প্রতিক্রিয়াও এক৷ টুইটারে মঞ্জুলাকে কুর্নিশও জানিয়েছেন প্রায় সকলেই৷ বিচ্ছিন্ন কিছু ধর্মীয় হানাহানির খবর মাঝে মাঝে মেলে ঠিকই৷ তবে এই ঘটনাই আবারও প্রমাণ করল, ভারতের সর্বধর্ম সমন্বয়ের ঐতিহ্য আজও অমলিন৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং