BREAKING NEWS

২৬ শ্রাবণ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

নজরে ‘ড্রাগন’, লাদাখে ৫টি অ্যাপাচে হেলিকপ্টার পাঠাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: July 7, 2020 3:01 pm|    Updated: July 7, 2020 5:34 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯৬২ সালেও পিছু হটেছিল চিনা সেনা। কিন্তু তাঁর ৯৬ দিন পরই ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছিল ভারতীয় জওয়ানদের সঙ্গে। যার ফলে শহিদ হয়েছিলেন ৩৬ জন ভারতীয় জওয়ান। তাই এবার আর সেই ভুল করতে রাজি নয় ভারত। ফলে গালওয়ান উপত্যকা থেকে চিনা সেনা পিছু হটলেও সীমান্তে নজরদারি বজায় রাখতে ভারতীয় বায়ুসেনার ৫টি অ্যাপাচে কপ্টার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়েছে ভারত। লালফৌজের পিছু হঠার খবর পেয়েও তাতে বিশ্বাস করতে রাজি নয় মোদি প্রশাসন। এখনও লাদাখের গালওয়ানে চিনা বাহিনীর প্রতিটি পদক্ষেপে সতর্ক নজর রাখা হচ্ছে বলে জানা যায়৷ চিনের বিশ্বাসঘাতকতার কথা মাথায় রেখেই সম্ভবত লালফৌজের (PLA) পিছু হঠা নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি ভারতীয় সেনাবাহিনী৷ ভারতীয় সেনার অনুমান, ফের একবার সরাসরি সংঘাত এড়াতেই পিছু হঠেছে চিনা সেনা৷ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেনা আধিকারিকের কথায়, “এটা খুব ছোট একটা পদক্ষেপ৷ আমাদের সতর্ক থাকতে হবে৷ চিনাদের বিশ্বাস করা যায় না৷” তাই ঘাতক মাউন্টেন ফোর্স, স্থলবাহিনীর পাশাপাশি শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে তৈরি আছে ভারতীয় বায়ুসেনাও। মিরাজ, সুখোই, মিগ-২৯ এর মতো কমব্যাট ফাইটার জেট চক্কর দিচ্ছে সীমান্তে। এমনকী বায়ুসেনার শক্তি আরও বাড়াতে আমেরিকার থেকে সদ্য কেনা পাঁচটি অ্যাপাচে হেলিপক্টারও (Apache Chopper) পাঠানো হবে লাদাখ সীমান্তে। সম্প্রতি শুরু হয়েছে তার প্রস্তুতি।

[আরও পড়ুন:চিনের সঙ্গে সংঘাত এড়ানোর কৌশল! দলাই লামাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন না মোদি]

বিশ্বের অত্যাধুনিক মাল্টিরোল হেলিকপ্টারগুলির মধ্যে অ্যাপাচে এএইচ-৬৪ অন্যতম। ২০১৫ সালে প্রথম বোয়িংকে ২২টি বিধ্বংসী অ্যাপাচে কপ্টারের বরাত দেয় ভারত। মার্কিন সরকারের সঙ্গে কয়েক হাজার কোটি টাকার চুক্তি হয়। গত বছর ১৭টি এএইচ অ্যাপাচে-৬৪ এসে পৌঁছয় ভারতের হাতে। আরও পাঁচটি আসার কথা ছিল গত মার্চেই। কিন্তু করোনা ভাইরাস ও লকডাউনের জেরে অ্যাপাচে পাঠাতে পারেনি বোয়িং।

[আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থের সঙ্গে আপস করেছে সরকার? লাদাখে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে প্রশ্ন রাহুলের]

১৯৬২ সালের সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার ভারতীয় সেনা লালফৌজকে নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে চায়৷ তাই অতীতটা জেনেও ফের চিনের বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হতে চায় না ভারতীয় সেনাবাহিনী৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement