Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
নাগরিকত্ব আইন ২০১৯

‘উত্তর কোরিয়াতে চলে যান’, নাগরিকত্ব আইন বিরোধীদের নিদান তথাগত রায়ের

আইন খারাপ হলে সংসদের দুটি সভায় কীভাবে পাশ হল? প্রশ্ন তাঁর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯, ১৪:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯, ১৪:৪১

options
link
‘উত্তর কোরিয়াতে চলে যান’, নাগরিকত্ব আইন বিরোধীদের নিদান তথাগত রায়ের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার লোকসভায় পাশ হয় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল, ২০১৯। এরপরই দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছিল। বুধবার রাজ্যসভা বিলটি অনুমোদন দেওয়ার পরেই আগুনে ঘি পড়ে। আর রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সই করার পরে বিলটি আইনে পরিণত হতেই বিক্ষোভ শুরু উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়নাক আকার ধারণ করে যে একাধিক ট্রেন ও বিমান বাতিল হয়। থমকে যায় সড়ক পরিষেবাও। বেশকিছু জায়গায় স্থগিত রাখা হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। এর মাঝেই বিক্ষোভ শুরু হয় পশ্চিমবঙ্গের বেলডাঙা ও উলুবেড়িয়া-সহ একাধিক জায়গায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানী দিল্লি-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতা সরব হয়ে ওঠে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ও সাধারণ মানুষের একাংশ। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার বিতর্কিত টুইট করলেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল তথাগত রায়। এখানে না পোষালে উত্তর কোরিয়াতে চলে যাওয়ার নিদান দিলেন।

[আরও পড়ুন: “আমি সাভারকর নই, ক্ষমা চাইব না”, দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিজেপি খোঁচা রাহুলের]

শুক্রবার রাতে তিনি টুইট করেন, ‘বির্তকের এই পরিবেশে দুটি জিনিস কখনও ভুলে গেলে চলবে না। ১) এই দেশ একসময়ে ধর্মের নামেই ভাগ হয়েছিল। ২) একটি গণতন্ত্রে মতভেদ থাকাটা খুবই জরুরি। আপনি যদি এই গণতন্ত্র না চান তাহলে উত্তর কোরিয়াতে চলে যান।’

Advertisement

তাঁর এই টুইটের কয়েক ঘণ্টা বাদেই বিক্ষোভকারীরা মেঘালয়ের রাজভবনের সামনে হাজির হয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকে। একটা সময় রাজভবনের গেট ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে একদল বিক্ষোভকারী। তাদের প্রতিহত করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এর জেরে একাধিক মানুষ আহত হয়। উলটো দিকে বিক্ষোভকারীদের ছোঁড়া পাথরে জখম হন দুই পুলিশকর্মী। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, রাজ্যে আসা বহিরাগতদের নাম নথিভুক্ত বাধ্যতামূলক করার জন্য একটি অর্ডিন্যান্স জারি করতে হবে। আর রাজ্যে ইনার লাইন পারমিট চালু করতে হবে।

শুক্রবারের জের মিটতে না মিটতে শনিবার দুপুরে একটি টুইট করে মেঘালয়ের রাজ্যপাল। তাতে তথাগত রায় উল্লেখ করেন, ‘খবরের কাগজে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছয়লাপ- নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে জনগণ কী রকম সোচ্চার, কীভাবে সাম্প্রদায়িক ট্রেনযাত্রীদের দিকে ধর্মনিরপেক্ষ পাথরবৃষ্টি হয়েছে | কিন্তু প্রশ্ন, যদি আইন এতই খারাপ হয়। জনগণ যদি এর এতই বিরুদ্ধে হয়, তাহলে সংসদের দুটো সভায় পাশ হল কী করে ?’

[আরও পড়ুন: মমতার পর কেজরিওয়াল, প্রশান্ত কিশোরকে ভোটপ্রচারের দায়িত্ব দিল আম আদমি পার্টি]

এর আগেও সাংবিধানিক পদে থেকে বিভিন্ন মন্তব্য করার জন্য বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে তথাগত রায়কে। কিছুদিন আগে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সমর্থকদের নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কের মুখোমুখি হয়েছিলেন। হায়দরাবাদে হওয়া এনকাউন্টার নিয়েও নিজের মত প্রকাশ করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘কোনও অপরাধ মোকাবিলার এটা স্বাভাবিক উপায় হতে পারে না।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.