Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
হার্দিক প্যাটেল

তারুণ্যে জোর! গুজরাট কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি করা হল হার্দিক প্যাটেলকে

রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ থেকে শিক্ষা নিচ্ছে কংগ্রেস?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২০, ১৭:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২০, ১৭:২১

options
link
তারুণ্যে জোর! গুজরাট কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি করা হল হার্দিক প্যাটেলকে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আট আসনের উপনির্বাচনের ঠিক আগে আগে গুজরাটে অপ্রত্যাশিত অথচ চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নিল কংগ্রেস। গুজরাট প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি করে দেওয়া হল পাতিদার আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেলকে। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই দলের রাজ্যস্তরের বড় পদ পেয়ে গেলেন হার্দিক। যা নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরে আশা-আশঙ্কা দুইয়ের দোলাচল চলছে। হার্দিককে (Hardik Patel) কেন এত তড়িঘড়ি এত বড় পদে আনা হল? প্রশ্ন উঠছে দলের অন্দরেই। আবার অনেকেই তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।

বছর চারেক আগে পাতিদার আন্দোলনকে সামনে রেখে জনপ্রিয়তার শিখরে চলে আসেন হার্দিক। তাঁর আন্দোলন দমন করতে রীতিমতো খড়গহস্ত হতে হয় তৎকালীন বিজেপি (BJP) সরকারকে। তাঁর সমর্থকদের উপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। হার্দিককেও বহু মামলার গেরোয় পড়তে হয়। এমনকী তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলাও চলছে। তাঁকে ঘিরে নাটকও হয়েছে বিস্তর। উঠেছে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগও। কিন্তু সেসবের মধ্যেও জনপ্রিয়তায় ভাঁটা পড়েনি হার্দিকের। ২০১৭ বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে বাইরে থেকে সমর্থন করেন হার্দিক। তাঁর সহায়তায় বিজেপিকে কড়া টক্করও দেয় কংগ্রেস। কিন্তু ক্ষমতায় তাঁরা ফিরতে পারেনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সত্যিই নড়বড়ে রাজস্থান সরকার! ১২ জন বিধায়ক-সহ দিল্লিতে ‘বিক্ষুব্ধ’ শচীন পাইলট]

২০১৮ সালে সরকারিভাবে কংগ্রেসে যোগ দেন হার্দিক। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনেও নামার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু দেশদ্রহিতার মামলা চলায় আদালত তাঁকে নির্বাচনে লড়ার অনুমতি দেয়নি। এবার সেই হার্দিককেই দেওয়া হল কার্যকরী সভাপতির পদ। আসলে গুজরাটে (Gujarat) বহুদিন স্বচ্ছ ভাবমূর্তির তরুণ নেতার অভাবে ভুগছে কংগ্রেস। তাছাড়া সদ্য রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে আট বিধায়ক দল ছেড়েছেন। তাই রাজ্য সভাপতি অমিত ছাবড়ার উপর আর ভরসা করতে পারছে না কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। অনেকে মনে করছেন, আট আসনের উপনির্বাচনের আগে হার্দিককে আনা হল অমিত ছাবড়ার ‘ডানা ছাঁটতে’। তাছাড়া ২০২২ সালে গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে পাতিদার ভোট। হার্দিককে সামনে রেখে এগোতে পারলে পাতিদার ভোট একচ্ছত্রভাবে চলে আসতে পারে কংগ্রেস শিবিরে। সেই আশাতেই এখন বুক বাঁধছেন হাত শিবিরের শীর্ষ নেতারা।

আবার প্রশ্নও কম নেই। এত কম অভিজ্ঞ একজন নেতাকে এত বড় পদ দেওয়ার যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন দলেরই অনেক নেতা। আবার কেউ কেউ বলছেন, বছরের পর বছর যারা দলে আছেন, তাঁরা কেন হার্দিকের কথা মেনে চলবেন?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.