Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
Muslim League

অসম-বাংলার ২১ কংগ্রেসের বিধায়কের ২০ জনই সংখ্যালঘু! হাত শিবিরই কি নতুন ‘মুসলিম লিগ’?

স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন ভারতীয় রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত হয়েছে সংখ্যালঘু মতামতের উপরে। ২০১৪ সালে বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর সেই ধারা বদলেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২৬, ১৯:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২৬, ১৯:৩৭

options
link
অসম-বাংলার ২১ কংগ্রেসের বিধায়কের ২০ জনই সংখ্যালঘু! হাত শিবিরই কি নতুন ‘মুসলিম লিগ’? zoom
মল্লিকার্জুন খাড়গে ও রাহুল গান্ধী। ফাইল ছবি।

স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন ভারতীয় রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত হয়েছে সংখ্যালঘু মতামতের উপরে। ২০১৪ সালে বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর সেই ধারা বদলেছে। গেরুয়া শিবির স্রেফ সংখ্যাগুরু ভোটারদের একজোট করে একের পর এক নির্বাচনে অভাবনীয় সাফল্য পাচ্ছে। অন্যদিকে কংগ্রেসকে ধীরে ধীরে সংখ্যালঘু তথা মুসলিমদের দল হিসাবে দেগে দেওয়ার চেষ্টাও হয়েছে পুরোদস্তুর। তাতে অনেকাংশে সাফল্যও পেয়েছে বিজেপি। পরিস্থিতি এমনই, হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় জিততে যেন ভুলেই গিয়েছে হাত শিবির।

অসম ও বাংলা, এই দুই রাজ্যে ৩৯০ আসনের মধ্যে মাত্র ২১ জন বিধায়ক জিতেছেন কংগ্রেসের টিকিটে। আরও চমকপ্রদ ভাবে এই ২১ জনের মধ্যে হিন্দু বিধায়ক মাত্র ১ জন। বাকি ২০ জনই মুসলিম। অসমে ১২৬ আসনের মধ্যে মোট ৯৯ আসনে লড়েছে কংগ্রেস। এর মধ্যে ২৪টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনের বাইরে মাত্র ১ জন হিন্দু বিধায়ক জিতিয়ে আনতে পেরেছে হাত শিবির। আবার সংখ্যালঘু এলাকায় প্রায় একচ্ছত্র জয় হাত শিবিরের। সেখানে স্ট্রাইক রেট ৮০ শতাংশ। ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গিয়েছে মুসলিমদের দল হিসাবে পরিচিত এআইইউডিএফও। আক্ষেপের সুরে খোদ বদরুদ্দিন আজমল বলছেন, “কংগ্রেসটা মুসলিগ লিগ হয়ে গেল। ওরা এআইইউডিএফের জন্য কুয়ো খুঁড়ে নিজেরাই সেই কুয়োয় পড়ে গিয়েছে। অসমে দলটাই শেষ হয়ে গেল।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুধু অসম নয়, বাংলাতেও এবার অসম তৃণমূলের থেকে বেশি সংখ্যালঘু দরদ দেখিয়েছে। রাজ্যের মূল চারটি দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেসই। তৃণমূলের থেকেও বেশি। যে দু’জন বিধায়ক জিতে এসেছেন, তারাও সংখ্যালঘু। এমনকী রাজ্যে যে সাড়ে ৩ শতাংশ ভোট হাত শিবির পেয়েছে, সেটারও বেশিরভাগটাই এসেছে সংখ্যালঘু এলাকা থেকেই।

এবার আসা যাক, এই নির্বাচনে হাত শিবিরের সবচেয়ে স্বস্তির জায়গা কেরলে। সেখানেও হাত শিবির জিতেছে মূলত মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের ভোটেই। এমনকী রাহুল গান্ধীদের সবচেয়ে বড় জোটসঙ্গীর নাম মুসলিম লিগ। কেরলে এবার ১৪০ জনের মধ্যে ৩৫ জন মুসলিম বিধায়ক জিতেছেন। এর মধ্যে ৩০ জন কংগ্রেস জোটের। মুসলিম লিগ থেকে ২২ জন এবং হাত শিবির থেকে ৮ জন মুসলিম বিধায়ক জিতে এসেছেন। সংখ্যালঘু এলাকাগুলিতে কেরলে ইউডিএফের স্ট্রাইক রেট প্রায় ৯০ শতাংশ। তুলনায় সংখ্যাগুরু এলাকায় স্ট্রাইক রেট কম। সার্বিকভাবে এই রাজ্যগুলির ফলাফল পর্যালোচনা করলে বোঝা যাবে, কংগ্রেস এখন মূলত সংখ্যালঘুদের দলে পরিণত হয়েছে। তুলনায় সংখ্যাগুরু এলাকায় কার্যত কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি। আগামী দিনে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে এই ভাবমূর্তি থেকে বেরোতেই হবে হাত শিবিরকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.