Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Nagpur IIIT

পরীক্ষার প্রবল চাপ, ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর জয়ের মতো নিজেকে শেষ করে দিলেন আইআইটি পড়ুয়া!

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম শ্রেয়াস চন্দ্রকান্ত মানে (২০)। তিনি আইআইটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর বাড়ি মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরে। এদিন ভোর চারটে থেকে সাড়ে চারটের নাগাদ তিনি হোস্টেলের ন’তলা থেকে মরণঝাঁপ দেন বলে অভিযোগ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২৬, ১৮:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২৬, ১৮:১৪

options
link
পরীক্ষার প্রবল চাপ, ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর জয়ের মতো নিজেকে শেষ করে দিলেন আইআইটি পড়ুয়া! zoom
শ্রেয়াস চন্দ্রকান্ত মানে। ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

২০০৯ সালের রাজকুমার হিরানি পরিচালিত বলিউড ছবি ‘থ্রি ইডিয়টস’-এ জয় নামে একটি চরিত্রের মর্মান্তিক পরিণতি আমরা দেখেছিলাম। সেটাই যেন এবার বাস্তবে ঘটল। পরীক্ষার প্রবল চাপের জেরে আত্মঘাতী হলেন আইআইটি বম্বের এক পড়ুয়া। সোমবার ভোরে হোস্টেলের ন’তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে তিনি নিজেকে শেষ করে দেন বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।  

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম শ্রেয়াস চন্দ্রকান্ত মানে (২০)। তিনি আইআইটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর বাড়ি মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরে। এদিন ভোর চারটে থেকে সাড়ে চারটের নাগাদ তিনি হোস্টেলের ন’তলা থেকে মরণঝাঁপ দেন বলে অভিযোগ। সেই সময় অন্যান্য পড়ুয়ারা ঘুমে মগ্ন ছিলেন। বেশ কিছুটা সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সূত্রের খবর, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শ্রেয়াসের। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছয় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রেয়াসের ঘরে কিংবা তাঁর কাছ থেকে কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান তিনি আত্মঘাতী হয়েছে। কারণ, পরীক্ষা এবং পড়াশোনা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি মানসিক চাপে ছিলেন বলে খবর। সবদিক খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.