Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
জেটলি

যুবক অরুণের ভিন্ন রূপ, কলেজ জীবনে মেয়েদের চোখে ছিলেন ‘হিরো’

সৌম্যদর্শন জেটলির গুণগ্রাহী ছিল প্রচুর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৯, ১৫:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৯, ১৫:১৭

options
link
যুবক অরুণের ভিন্ন রূপ, কলেজ জীবনে মেয়েদের চোখে ছিলেন ‘হিরো’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্পোরেট ক্ষেত্রে উজ্জ্বল, স্মার্ট উপস্থিতি কিংবা বাণিজ্য সম্মেলনের অতিথিদের সঙ্গে সাহেবি কায়দায় বাক্যালাপ। সাদা পাজামা-পাঞ্জাবির সঙ্গে কালো হাফ ব্লেজারে অর্থ সংক্রান্ত সমস্ত জটিল ঘোষণা অথবা সংসদে দাঁড়িয়ে বিরোধীদের হাজার আক্রমণের পালটায় শান্ত, দৃঢ়, শানিত জবাব। অরুণ জেটলির নাম শুনলে এসব ছবিই আমাদের চোখের সামনে ভাসে। কিন্তু মোদি বাহিনীর এই অদ্বিতীয় সেনার জীবনের প্রথম দিককার দিনগুলো কেমন ছিল, কেমন ছিলেন কৈশোর, যৌবনের জেটলি, সেসব নিয়ে কৌতুহল কম নেই কারও। সেইদিকেই একদা আলোকপাত করেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক তথা লেখিকা কুমকুম চাড্ডা। আজকের দিনে বরং তাঁর বইয়ের পাতা উলটে জেটলিকে দেখা যাক অন্য আলোয়।

[আরও পড়ুন : প্রয়াত প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি, রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া ]

একমাথা বড় চুল, ছিপছিপে চেহারা, পরনে জিনস আর চোখে বড় ফ্রেমের চশমা। দিল্লির শ্রীরাম কলেজের বাণিজ্য বিভাগের ছেলেটি কলেজ গেটে ঢুকতেই পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে জোড়া জোড়া চোখ সব তার দিকে। সেটা সাতের দশক। জরুরি অবস্থা ঘোষণা কিছু আগেপরের সময়। এমনিই দেশজুড়ে একটা চাপা চাপা উত্তেজনা। এমনই সময়ে যুবক অরুণ জেটলির মধ্যে কিন্তু কোনও ছটফটানি নেই। কী এক অদ্ভুত চাহনি, যেখানে অনেক কিছু মিলেমিশে রয়েছে। আপাত শান্ত চোখে আড়ালে দুর্দমনীয় এক জেদ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা। পরবর্তী সময়ে সেটাই তাঁর সমস্ত সাফল্যের নেপথ্যে একটা বড় শক্তি হয়ে উঠেছিল।

Advertisement

young-jaitley

সাংবাদিক কুমকুমের লেখায় উল্লেখ রয়েছে, জেটলির চেহারায় বেশ একটা আকর্ষণ ছিল। বিশেষত মহিলাদের নজর এড়ানো মুশকিল। তাই কলেজেও বহু ছাত্রীই ওই লম্বা চুল, লেননের মতো চশমা পরা ছেলেটির ঘনিষ্ঠ হতে চাইত। কিন্তু পরবর্তীতে সংসদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভাষণ দেওয়া জেটলি কিন্তু প্রথম যৌবনে এমনটা ছিলেন না। বরং বেশ লাজুক আর অন্তর্মুখী ছিলেন। মেয়েদের সঙ্গে ঠিকমতো কথাই বলতে পারতেন না। তবে পুরুষ বন্ধুমহলে বেশ প্রভাব ছিল তাঁর। অল্প কথার মারপ্যাঁচে সবাইকে বেশ মাতিয়ে রাখতে পারতেন। তখন থেকেই ছেলেটির মধ্যে বাগ্মী হওয়ার একটা লক্ষণ ফুটে উঠছিল। কিন্তু ওই, মেয়েদের সঙ্গে কথাবার্তায় তিনি বেশ লাজুক ছিলেন একটা বয়স পর্যন্ত।

jaitley-friends
বন্ধুদের সঙ্গে কলেজ পড়ুয়া জেটলি

 

এক পারিবারিক বন্ধু জেটলির বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, ঘরোয়া আড্ডাতেও তাঁর আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল জনজীবন। তার উন্নতির জন্য ভাবতেন দুঁদে আইনজীবী তথা জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ। কোনও শীতের সন্ধেয় দামি জামেওয়ার শাল জড়িয়ে চায়ের আড্ডাতেও তাঁর ভাবনার অনেকটা অংশ জুড়ে থাকত দেশের মানুষের বাসস্থান, শিক্ষা। সকলের মাথার উপর ছাদ আর শিক্ষা, এর পরিকাঠামো তৈরি হোক, এটাই তাঁর চাওয়া ছিল। আর কখনও কোনও শর্তেই নীতির সঙ্গে আপস করেননি। শেষ জীবন পর্যন্তও নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকে এগিয়ে গিয়েছেন নিজের পথে।

[আরও পড়ুন : বড় মাপের রাজনীতিবিদকে হারাল দেশ, জেটলির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ মোদি-মমতার়]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.