BREAKING NEWS

১৫  আষাঢ়  ১৪২৯  শনিবার ২ জুলাই ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

জামিয়া কাণ্ডে আদালতের রোষের মুখে দিল্লি পুলিশ, ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: February 17, 2020 2:44 pm|    Updated: February 17, 2020 6:47 pm

HS orders Delhi police to pay compensation to Jamia Milia

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার হাই কোর্টের রোষানলে কেন্দ্র ও দিল্লি পুলিশ। দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে অশান্ত ছড়ানোর দরুন (Jamia Milia Islamia University) জামিয়া কর্তৃপক্ষকে ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে দিল্লি পুলিশ। ১৫ ডিসেম্বর পুলিশের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় জামিয়া মিলিয়া ইসলমিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি। আহত হন বহু পড়ুয়া। সেই ঘটনার জেরেই এবার ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে পুলিশকে।

jamia-agi1

১৫ ডিসেম্বর রাতে জামিয়া মিলিয়ার লাইব্রেরির ভিতরে দিল্লি পুলিশের তাণ্ডব চালানোর সময় পুলিশের লাঠির ঘায়ে আহত হন শায়ন মুজিব নামের এক পড়ুয়া। আঘাত লাগে শায়নের পায়ে। জানা গিয়েছে, প্রায় ২ লক্ষ টাকা খরচ করে পায়ের চিকিৎসা করাতে হয় শায়নকে। রবিবার মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে জামিয়া মিলিয়া ছাত্র পরিষদের তরফ থেকে ১৫ ডিসেম্বর রাতের একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করা হয়। সেই ফুটেজে দেখা যায়, উর্দি পরা কিছু পুলিশ লাঠি হাতে ভাঙচুর চালাচ্ছে লাইব্রেরির ভিতরে। ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে পুলিশ এলোপাথারি লাঠি চালাচ্ছে পড়ুয়াদের ওপর। ১৫ ডিসেম্বর রাতে পুলিশ ও সিআরপিএফের তাণ্ডব চালানোর ভিডিয়োয় দেখা যায়, পুলিশ ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা বাসগুলিতে নির্বিচারে আগুন লাগাচ্ছে। তবে, পড়ুয়াদের মারধরের সময় পুলিশের মুখ কাপড় ও রুমালে ঢাকা থাকায় তাদের চেনা সম্ভব হয়নি।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতার ইচ্ছাপ্রকাশ রাষ্ট্রসংঘের, পত্রপাঠ প্রস্তাব ফেরাল ভারত]

জামিয়ার ঘটনার পর থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ উঠলেও লাঠি চালানোর ও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে দিল্লি পুলিশ। এমনকী, রবিবারের ভাইরাল ভিডিও দেখেও তারা দাবি করেন, এই ভিডিওটি ‘সম্পাদিত’। তবে, ফুটেজটির সত্যতা যাচাই করতে এই ফুটেজটিকে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার কাছে পাঠানো হয়। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমা আখতার জানান, ১৫ তারিখ রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে প্রবেশের আগে পুলিশ ও সিআরপিএফ কোনওরকম অনুমতি নেয়নি। সেদিন রাতে ক্যাম্পাসে থাকা পড়ুয়াদের ওপর লাঠিচার্জের পাশাপাশি টিয়ার গ্যাসও ছোঁড়ে পুলিশ। প্রায় শতাধিক পড়ুয়ারা আহত হয় পুলিশের লাঠির ঘায়ে। তবে, ক্যাম্পাসে ঢুকে পুলিশের এই বর্বরোচিত আচরণের জন্য রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হলেও, জামিয়া পড়ুয়াদের তরফ থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের করা হয়নি। জামিয়ার পড়ুয়ারা সরাসরি ঘটনার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে