Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Human Sacrifice

সংসারে সৌভাগ্য ফেরাতে কুসংস্কারের বলি ২ প্রৌঢ়া, দেহাংশও পুঁতে দিল দম্পতি!

অভিযুক্ত দম্পতি-সহ গ্রেপ্তার ৩।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২২, ১৮:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২২, ১৮:০১

options
link
সংসারে সৌভাগ্য ফেরাতে কুসংস্কারের বলি ২ প্রৌঢ়া, দেহাংশও পুঁতে দিল দম্পতি! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভয়ংকর ঘটনা কেরলে (Kerala)। পরিবারের দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট থেকে মুক্তি পেতে অচেনা ২ প্রৌঢ়াকে বলি দিলেন তন্ত্রমন্ত্রে বিশ্বাসী এক দম্পতি। অভিযোগ, অপহরণ করে হত্যার পর তাদের দেহ টুকরো টুকরো করে পুতে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দম্পতি-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পাঠানমথিট্ট জেলার থিরুভাল্লা এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা মেসেজ থেরাপিস্ট ভগবন্ত সিং ও তা স্ত্রী লায়লা। দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটের মধ্যে ছিলেন এই দম্পতি। তাঁরা যে কোনও প্রকারে আর্থিক সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখছিলেন। আর এর জন্যই অচেনা দুই মহিলাকে বলি দেবেন বলে ঠিক করেন। এই আলৌকিক উপায়ে আর্থিক অবস্থা শুধরে যাবে বলে আশ্বাস দেন দম্পতির পরিচিত যুবক মহম্মদ শফি। জানা গিয়েছে, শফিই এরনাকুলামের বাসিন্দা দুই প্রৌঢ়া রোজেলিন ও পদ্মাকে অপরহরণ করে। জুন মাস নিখোঁজ হয়েছিলেন রোজেলিন। সেপ্টম্বরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে হারিয়ে যান পদ্মা। উভয়ের পরিবার স্থানীয় থানায় নিখোঁজের ডায়েরিও করেছিলেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: মুসলিম ব্য়ক্তি দ্বিতীয় বিয়ের পর প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে থাকতে বাধ্য করতে পারেন না, মন্তব্য হাই কোর্টের]

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত দম্পতি জানিয়েছে, আর্থিক সমৃদ্ধির জন্য বেশ কয়েক মাসের ব্যবধানে দুই প্রৌঢ়াকে বলি দেন তাঁরা। ওই দুই মহিলাকে অপহরণ করেছিলেন শফি। এরপর দম্পতির বাড়িতেই তাদের হত্যা করে উৎসর্গ করা হয়। দেহ টুকরো টুকরো করে থিরুভাল্লা এলাকার দেহাংশ পুতে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ তা উদ্ধার করে।

[আরও পড়ুন: দেশে প্রথমবার হিন্দিতে পড়ানো হবে ডাক্তারি, নতুন বই প্রকাশ করবেন অমিত শাহ]

খুন হওয়া দুই মহিলার মোবাইল টাওয়ারের লোকেশানের মাধ্যমে মহম্মদ শফি ধরে পড়ে যায়। পড়ে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে দুই অপহরণ ও খুনের কথা স্বীকার করে সে। কোচির পুলিশ কমিশনার নাগারাজু চাকিলাম জানান, ২ মহিলাকে বলি দিলে সংসারের আর্থিক সমৃদ্ধি ফেরাতে চেয়েছিলেন দম্পতি। আলৌকিক ভাবনা শফিই ঢুকিয়েছিল দম্পতির মধ্যে, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারা মামলা করে বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে। এই খুনের অন্য কারণ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।    

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.