৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “মেঘের আড়ালে পাকিস্তানের রাডার কাজ করবে না। তাই মেঘলা দিনেই সেনা জওয়ানদের এয়ারস্ট্রাইক করার নির্দেশ দিয়েছিলাম।” প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়েছে নেটদুনিয়ায়। এবার, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারের আরও একটি ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। যাতে মোদিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, তিনি নাকি ১৯৮৮ সালেই ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার করেছিলেন। সেই ক্যামেরা থেকে নাকি লালকৃষ্ণ আডবানীর রঙিন ছবিও তুলে দিয়েছিলেন মোদি। এমনকী সেই সময়ই ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেল করতেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির এই বক্তব্য নিয়েই হাসির রোল উঠছে নেটদুনিয়ায়। আসলে, প্রধানমন্ত্রী যে সময় ডিজিটাল ক্যামেরা এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করার কথা বলছেন, সেসময় ভারতে ডিজিটাল ক্যামেরা পা-ই রাখেনি, ইন্টারনেট ব্যবহারও শুরু হয়নি।

[আরও পড়ুন: মেঘলা আকাশে কাজ করবে না রাডার, এয়ারস্ট্রাইক নিয়ে মোদির যুক্তিতে হতবাক দেশ]

সাক্ষাৎকারে ঠিক কী বলেছিলেন মোদি? নিউজ নেশন নামের বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেন,”১৯৮৭-৮৮ সাল নাগাদ আমি প্রথমবার ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার করি। সেসময় খুব কম মানুষেরই ইমেল আইডি ছিল। তো আডবানীজির একটা জনসভা ছিল, আমি আমার ডিজিটাল ক্যামেরাটা দিয়ে তাঁর একটা ছবি তুলেছিলাম। সেসময় ডিজিটাল ক্যামেরা বড়সড় ছিল। তো ছবিটা তুলে আমি দিল্লিতে পাঠিয়ে দিই। একটি রঙিন ছবি ছাপা হয়েছিল। সবাই চমকে গিয়েছিল রঙিন ছবি দেখে। এমনকী আডবানীজিও চমকে যান। বলেন, আজ আমার রঙিন ছবি ছাপা হল কীভাবে!”

[আরও পড়ুন: তেরঙ্গা চেনেন না রবার্ট বঢরা, ভোট দিয়ে পোস্ট করলেন প্যারাগুয়ের পতাকা]

কিন্তু, মোদির এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই নেটদুনিয়ায় তাঁকে নিয়ে হাসির রোল পড়ে যায়। নেটিজেনদের দাবি, যে সময় মোদি ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার করার দাবি করছেন, সেসময় ভারতে ডিজিটাল ক্যামেরা পাওয়ায় যেত না। ইতিহাস বলছে, ভারতে প্রথম ডিজিটাল ক্যামেরা বিক্রি শুরু হয় ১৯৯০ সাল নাগাদ। এদিকে, মোদি বলছেন ১৯৮৮ সালেই তিনি ই-মেল ব্যবহার করেছেন। কিন্তু ভারতে সরকারিভাবে ই-মেল চালু হয় ১৯৯৫ সালে। স্বাভাবিকভাবেই প্রধানমন্ত্রীর এই দাবি হজম হয়নি নেটিজেনদের। তাঁরা মোদির এই বক্তব্য তুলে তাঁকে ইচ্ছেমতো ট্রোল করা শুরু করেছেন। কেউ বলছেন, মোদির মতো মিথ্যুক কেউ হতেই পারে না। আবার কেউ বলছেন, এমন একজন মিথ্যুক ভারতের প্রধানমন্ত্রী, এটা লজ্জার।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং