BREAKING NEWS

১৯ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ৫ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

লাদাখ থেকে বিমানে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাচ্ছে ‘গরিব’ ঝাড়খণ্ড

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: May 29, 2020 7:38 pm|    Updated: May 29, 2020 7:38 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে নজির গড়লেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী। লকডাউনের জেরে লেহ-তে আটকে পড়েন ঝাড়খণ্ডের পরিযায়ী শ্রমিকরা। তাঁদের বাড়ি ফেরাতে বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করলেন হেমন্ত সোরেন। শুক্রবার বিকেলে ৬০ জন শ্রমিককে ফেরানো হবে এই বিশেষ বিমানে।

পথ চলতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে রাস্তাতেই প্রাণ হারিয়েছেন কিছু শ্রমিক। কিছু মানুষ পিষ্ট হয়েছেন রেলের চাকায়। কেউ না ভাগ্যের ফেরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মারা গেছেন। তবে লেহ-তে (Leh) আটকে পড়া পরিযায়ীদের রাজ্যে ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ নিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemanta Soren)। তিনি চান না পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে গিয়ে ফের বলি হোক কোনও পরিযায়ীর। যেমন ভাবা তেমন কাজ। লেহ-র স্থানীয় আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলে পরিযায়ীদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেন তিনি। এরপর রাজ্যের ৬০ জন পরিযায়ী শ্রমিককে নিয়ে শুক্রবার সন্ধেয় বাটালিক থেকে রওনা দেয় এই বিমান।

[আরও পড়ুন:শিকেয় সামাজিক দূরত্ব, লকডাউন শিথিল হওয়ায় ঢাকামুখী শতাধিক মানুষ]

স্পাইসজেটের এই বিমান দিল্লি পৌঁছবে দুপুর দুটোয়। তারপর দিল্লি থেকে সন্ধ্যা ছ’‌টায় বিমান ছাড়বে, রাঁচি পৌঁছে যাবে রাত আটটায়। পরিযায়ী শ্রমিকদের আনতে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকতে পারেন খোদ ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। গত ১২ তারিখে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যসচিব কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখে আবেদন করেন, যাতে কেন্দ্র আন্দামান, লাদাখ ও উত্তর-পূর্ব ভারতে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের বিমানে ফেরানোর অনুমতি দেন। মুখ্যমন্ত্রী হেমন সোরেনও ব্যক্তিগতভাবে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখে এই মর্মে আবেদন করেন। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে কোনও উত্তর না মেলায় উদ্যোগী হয়ে ওঠে ঝাড়খণ্ড সরকার।

[আরও পড়ুন:আমফান-করোনার জোড়া ফলায় বিদ্ধ মাতলা চরের বাসিন্দারা, পাশে দাঁড়াচ্ছে যুবসমাজ]

‌এরপর আর অপেক্ষা সম্মতির করেননি ঝাড়খণ্ড সরকার। সরাসরি নিজেরাই পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে বিমানের ব্যবস্থা করেন রাজ্যের তরফ থেকে। খুব তাড়াতাড়ি আরও দুটি বিমানে আন্দামান থেকে ৩২০ জন পরিযায়ী শ্রমিককে রাজ্যে ফেরানো হতে পারে বলে জানান হেমন্ত সোরেনের সরকার।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement