বাড়িতে ঢুকে, পোশাক খোলার চেষ্টা বা খুলে দেওয়া অপরাধ হলেও তা ধর্ষণের চেষ্টা নয়। প্রায় ২৬ বছর আগের একটি মামলায় এমনটাই রায় দিল ঝাড়খণ্ড হাই কোর্ট (Jharkhand High Court)। মহিলার শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করেছেন বিচারপতি প্রদীপকুমার শ্রীবাস্তব।
দীর্ঘ শুনানির পর বিচারপতি মন্তব্য করেছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যেসব কাজের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা আইনি মানদণ্ড অনুসারে ধর্ষণের চেষ্টা প্রমাণ করে না। তবে নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে বলপ্রয়োগের মতো অপরাধে অভিযুক্ত যুক্ত। তা প্রমাণিত। সেই দায়ে আদালত অভিযুক্তের সাজা বহাল রেখেছে।
আরও পড়ুন:
১৯৯৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর। বছরের শেষের দিকে শীতের রাতে এক মহিলার ঘরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে যুবকের বিরুদ্ধে। থানায় অভিযোগ জানান মহিলা। পরের দিন ২৭ ডিসেম্বর অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই মামলা চলে ঝাড়খণ্ডের নিম্ন আদালতে। প্রায় বছরখানেক আগে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। চার বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। ইতিমধ্যেই ৮ মাস কারাগারে কাটিয়েছেন তিনি।
সেই মামলাতেই উভয়পক্ষ ও সাক্ষী, বয়ান, সমস্ত প্রমাণ খতিয়ে দেখে ঝাড়খণ্ড হাই কোর্টের রায়, এই মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ থেকে এটা প্রমাণিত ওই ব্যক্তি মহিলার শ্লীলতাহানি করেছে। কিন্তু তা ধর্ষণের চেষ্টা তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সিপিএম-আরএসপি দ্বন্দ্ব চরমে! চূড়ান্ত হলো না দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রার্থী
-
‘নিখোঁজ’ বিডিও কীভাবে পাচ্ছেন বেতন? প্রশান্ত বর্মনের মামলায় সিআইডিকে ‘ভর্ৎসনা’ হাই কোর্টের
-
তসলিমার বক্তৃতা নিয়ে প্রশ্ন স্কুলের পরীক্ষায়! ‘লেখাকে অত সহজে নির্বাসিত করা যায় না’, খোঁচা লেখিকার
-
মণ্ডপের বদলে এবার গঙ্গাতেই প্রতিমা নিরঞ্জন, বিতর্ক কাটিয়ে এবার থিমে কোন চমক দেবে টালা প্রত্যয়?
-
শেফালির ঝড়, দীপ্তির দুরন্ত ঘূর্ণি! বাংলাদেশকে উড়িয়ে ১০ এশিয়া কাপের ১০ আসরেই ফাইনালে ভারত