২৯ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে জম্মু কাশ্মীরে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা তুলে প্রশাসন। সোমবার রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক প্রশাসনিক স্তরে একটি জরুরি বৈঠক করে উপত্যকার নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কাশ্মীরের চিফ সেক্রেটারি এবং বিভিন্ন দপ্তরের উপদেষ্টারা। তারপরই ২ মাস আগে জারি হওয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন রাজ্যপাল। জম্মু কাশ্মীর প্রশাসনের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, আগামী ১০ অক্টোবর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকেই চাইলে কাশ্মীরে যেতে পারবেন পর্যটকরা।

[আরও পড়ুন: কালো টাকা নিয়ন্ত্রণে সাফল্য, সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের অ্যাকাউন্টের তথ্য পেল কেন্দ্র]


আগস্টের গোড়া থেকেই পর্যটন কার্যত থমকে উপত্যকায়। জুলাইয়ের শেষের দিক থেকেই কাশ্মীরে প্রচুর সেনা মোতায়েন শুরু করে ভারত সরকার। ধীরে ধীরে উপত্যকা জুড়ে কারফিউয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়। অমরনাথ যাত্রীদের মাঝপথ থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আগস্টের গোড়ার দিকে, কাশ্মীরে থাকা সব পর্যটককে দ্রুত রাজ্য ছাড়ার নির্দেশ দেয় প্রশাসন। ৫ আগস্ট সবাইকে চমকে দিয়ে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে দেন রাষ্ট্রপতি। জম্মু ও কাশ্মীরকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়া হয়। একটা অংশ জম্মু ও কাশ্মীর এবং অপর অংশ লাদাখ। কেন্দ্রের সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই একপ্রকার কারফিউয়ের পরিস্থিতি কাশ্মীরে। বাইরে থেকে কারও যাওয়া তো দূরের কথা, কাশ্মীরের অন্দরেই যাতায়াতে বিধিনিষেধ ছিল। উপত্যকায় রীতিমতো বনধের পরিস্থিতি ছিল। যার জেরে পর্যটন ছিল পুরোপুরি বন্ধ।

[আরও পড়ুন: রাহুলের উপর নজরদারি! গান্ধী পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের ]


এমনিতে কাশ্মীরবাসীর রুজিরুটি অনেকটাই নির্ভর করে পর্যটনের উপর। শুধু বছরের প্রথম ৬ মাসেই প্রায় ৫ লক্ষ পর্যটক যান উপত্যকায়। অমরনাথ যাত্রার সময় গতবছরও সাড়ে ৩ লক্ষ তীর্থযাত্রী গিয়েছিলেন কাশ্মীরে। উপত্যকাবাসী পর্যটন শিল্প থেকেই জীবিকা নির্বাহ করেন। পর্যটন বন্ধ হয়ে যাওয়াই তাঁরা বেশ অসন্তুষ্ট ছিলেন। কিন্তু, এবার তা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। তবে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও, এখনই পর্যটকরা

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং