সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বামীকে খুন করে দোষ চাপিয়েছিলেন বাঘের উপর! সরকারের কাছ থেকে চেয়েছিলেন ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ। অভিযুক্ত যুবতী দাবি করেন, বাঘের আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে স্বামীর। তবে বাস্তব ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর যুবতীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে কর্ণাটকের মাইসুরুতে।
জানা গিয়েছে, মাইসুরু জেলার চিক্কাহেজ্জুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। ৪৫ বছরের বেঙ্কটস্বামীকে খুনের অভিযোগ ওঠে তাঁর স্ত্রী সাল্লাপুরির বিরুদ্ধে। পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, স্বামীকে বিষ খাইয়ে খুন করেন ওই মহিলা। এরপরেই ক্ষতিপূরণ চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হন সাল্লাপুরি। গত সোমবার হেজ্জুর গ্রামে বাঘের দেখা মেলে। সেই ঘটনাকে কাজে লাগিয়ে সাল্লাপুরি দাবি করেন বাঘের আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে তাঁর স্বামীর।
অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। বনদপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে তদন্তে নেমে জানা যায়, বৃষ্টির কারণে ধুয়ে গেছে ঘটনাস্থল। যেখানে ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন সাল্লাপুরি সেখান থেকে তাঁদের বাড়ি বেশি দূরে নয়। সেখানেও অভিযান চালায় পুলিশ। তাঁদের বাড়ির পেছনে ঘুঁটের ঢিপির নিচ থেকে পাওয়া যায় বেঙ্কটস্বামীর দেহ।
এরমাঝেই কর্ণাটক সরকারের কাছে থেকে ক্ষতিপূরণের দাবি করেন সাল্লাপুরি। তাঁকে গ্রেপ্তার করে জেরা করতেই খুনের কথা স্বীকার করে নেন ওই যুবতী। তিনি স্বীকার করেন, সুপারি খামারে কাজ করার সময়, তিনি জানতে পারেন বন্য প্রাণীর আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয় সরকার। এরপরেই স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করে যুবতী।
সর্বশেষ খবর
-
তৃণমূল আমলে প্রতিবন্ধী ভাতাতেও দুর্নীতি! দ্রুত তদন্ত শেষ করতে বলল হাই কোর্ট
-
গোলের মালায় বাংলাদেশকে দুরমুশ, ২০ বছর পর ফের এশিয়ার মঞ্চে ভারতের তরুণ তুর্কিরা
-
এককালে সাসপেন্ড হতে হয়েছিল! সঞ্জুর সঙ্গে হাত মেলালেন না বিতর্কিত পেসার, ভাইরাল ভিডিও
-
বিদেশি সংবাদমাধ্যমের হাত বাঁধল নেপাল, বন্যার রিপোর্টিংয়ে জারি বিধিনিষেধ, কারণ কী?
-
আরও দুই মামলায় জামিন সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের, কবে জেলমুক্তি?