২ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সরকারি কর্মচারীদের বেতনে কোপ, অর্ডিন্যান্স আনল কেরল সরকার

Published by: Paramita Paul |    Posted: April 30, 2020 3:14 pm|    Updated: April 30, 2020 3:14 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার কোপে টালমাটাল অর্থনীতি। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে কেরলের সরকারি কর্মচারীদের বেতনের একাংশ কেটে নেওয়ার নিদান দিয়েছে কেরল সরকার। কিন্তু সরকারি এই সিদ্ধান্তকে কেরল হাই কোর্ট  আইন বিরোধী বলে জানিয়েছে। এবার সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে অর্ডিন্যান্স আনল কেরল সরকার। বৃহস্পতিবার রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান সেই অর্ডিন্যান্সে স্বাক্ষরও করেন। এই অর্ডান্যান্সের বাতিলের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছে কর্মচারী সংগঠনগুলি। একইসঙ্গে কেরলের বিরোধী দল কংগ্রেস ও বিজেপি সরকারি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে।তাঁদের অভিযোগ, সরকার কর্মচারীদের উপর প্রতিশোধ নিতেই এমন পথে হাঁটছে।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দ্বিতীয় দফার লকডাউন চলছে। আর এই লকডাউনের গেঁরোয় কার্যত হিমঘরে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ। সরকারি কর আদায়েও ভাঁটা পড়েছে। কিন্তু খরচে লাগাম পড়ছে কই? উলটে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে খরচ বেড়েছে কয়েকগুন। সেই খরচ জোগাতে আগেভাগেই রাষ্ট্রপতি, প্রাধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সাংসদদের বেতনে কোপ পড়ছিল। একইসঙ্গে কেরলের মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিনারাই বিজয় সরকার। ‘ঈশ্বরের আপন দেশে’র সরকারি কর্মচারিদের বেতন কাটার কথা ঘোষণা করে সরকার। কিন্তু কেরল হাই কোর্টে সরকারি সিদ্ধান্ত ধাক্কা খায়।

[আরও পড়ুন : তবলিঘি জামাত প্রধান মৌলানা সাদকে ফের নোটিস পাঠাল দিল্লি পুলিশ]

সরকার জানিয়েছিল, আগামী পাঁচমাস সরকারি কর্মীদের মাসিক ছয়দিনের বেতন কাটা হবে। সরকারি সিদ্ধান্তকে আইনের পরিপন্থী বলে জানান বিচারক। এরপরই অর্ডিন্যান্স আনার কথা ঘোষণা করে সরকার। জানা গিয়েছে, এই নয়া আইনের আওতায় রাজ্য সরকারি কর্মচারি, রাজ্য সরকারের আন্ডার টেকিং সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা পড়বেন। অর্ডিন্যান্সে বলা হয়েছে, সংকটকালীন পরিস্থিতি তৈরি হলে তাঁদের বেতনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেতন কাটতে পারবে রাজ্য সরকার। যদিও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ২৫ শতাংশ বেতন কাটা হবে না। বরং প্রতি মাসে ছয়দিনের বেতন কাটা হবে।

[আরও পড়ুন : দিনে ৫০০’রও কম, কেরলে আচমকা নিম্নমুখী COVID-19 টেস্টের সংখ্যা]

এ প্রসঙ্গে কেরলের অর্থমন্ত্রী আইজ্যাক থমাস সরকারের অর্ডিন্যান্স আনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “এটা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এমন কঠিন সময়ে এই বিতর্ক এড়ানো প্রয়োজন। বিরোধীরা সরকারি কর্মচারীদের সংগঠনকে উসকানি দিচ্ছে।” তিনি আরও জানান, এটা সাময়িক সিদ্ধান্ত। তবে কর্মচারী সংগঠনগুলি এই অর্ডিন্যান্সের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ার দিয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement