সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শাশুড়িমা, সাবধানে থাকবেন। গাড়িতে বসে মিষ্টি হাসতে হাসতে হাড়হিম করা হুমকি ছুড়ে দিলেন বউমা! দিল্লি হাই কোর্টের রায়কে হাতিয়ার করে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, সংসারে ‘নাক গলাতে’ এলেই শাশুড়ির বিরুদ্ধে সটান মামলা ঠুকে দিতে পারেন। আইনজীবী মহিলার সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। তবে ওই আইনজীবী নিজে বিবাহিত কিনা তা জানা যায়নি।
View this post on InstagramAdvertisement
সম্প্রতি দিল্লি হাই কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, বৈবাহিক সম্পর্কে যদি কোনও তৃতীয় পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতিকারক প্রভাব বিস্তার করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারেন স্বামী বা স্ত্রী। এলিয়েনেশন অফ অ্যাফেকশন মামলা দায়ের হতে পারে সেই ক্ষেত্রে। যাঁর বিরুদ্ধে বৈবাহিক সম্পর্কে ‘নাক গলানো’র অভিযোগ থাকবে, তাঁর থেকে ক্ষতিপূরণও দাবি করতে পারেন মামলাকারী।
দিল্লি হাই কোর্টের এই সিদ্ধান্তকেই বিশদে ব্যাখ্যা করে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন এক মহিলা আইনজীবী। কীভাবে এই মামলা দায়ের করতে হবে, মামলার প্রেক্ষিতে দোষী সাব্যস্ত করার জন্য কীভাবে প্রমাণ জোগাড় করতে হবে, সেই নিয়ে বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন ওই ভিডিওতে। সঙ্গে তাঁর বার্তা, “শাশুড়ি মায়েরা, একটু সাবধানে থাকবেন।” অর্থাৎ, যে কোনও সময়ে শাশুড়িদের বিরুদ্ধে বউমা অথবা জামাইরা মামলা ঠুকে দিতে পারেন। তাই সন্তানদের সংসারে মায়েরা যেন ক্ষতিকারক ভূমিকা না নেন।
এই ভিডিওটি হু হু করে ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। কারোওর মতে, ‘অনেক সময়ে স্বামী নিজেই তো তৃতীয় পক্ষকে বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যে এনে ফেলে, তখন কেন আদালত কিছু করে না?’ আরেক নেটিজেনের কথায়, ‘শাশুড়ি আর ননদরাই বিয়ে ভাঙার জন্য দায়ী।’ কেউ আবার বলছেন, ‘শাশুড়ি বলতে এখানে কি কেবল ছেলের মাকেই বোঝানো হচ্ছে?’ নেটদুনিয়ার অনেকেই মনে করছেন, আদালতের এই নির্দেশ ভারতের পরিবারগুলিতে বড়সড় প্রভাব ফেলবে।
সর্বশেষ খবর
-
‘বিরোধী দলনেতা হওয়ার জন্য সই জাল’, মমতাপন্থী শোভনদেবকে ‘হ্যাংলা’ বললেন মদন মিত্র
-
রবি দুপুরে পানিহাটির সিইএসসির ভবনে বিধ্বংসী আগুন! বিটি রোডে ব্যাহত যান চলাচল
-
বাঙালি কোচের জন্য বাদ ফিজিক্যাল ট্রেনার, এশিয়ান গেমসে ভারতের দল নির্বাচনে ফের বিতর্ক
-
যুদ্ধ লাগলেও বিচ্ছিন্ন হবে না যোগাযোগ! চিকেনস নেকের সুরক্ষায় উত্তরবঙ্গে বিরাট পদক্ষেপ
-
‘বন্ধু’ প্রধানমন্ত্রী! তবু জমি ‘হাঙর’দের কবলে বৃদ্ধ, শেষ সম্বল হারিয়ে মোদির দুয়ারে অসহায় সহপাঠী