৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ভারতীয় সেনাবাহিনীতে সমকামিতা বা সমপ্রেম কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না৷’ সাফ জানালেন সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘শীর্ষ আদালত সমপ্রেম বা সমকামিতাকে মান্যতা দিলেও, সেনাবাহিনীর নিজস্ব কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেখানে কঠোর শৃঙ্খলা ও নিজস্ব কিছু নিয়ম কানুন আছে। সমপ্রেমে সায় দিলে সেনাবাহিনীর পরিবেশ ও কাজের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সাধারণ নাগরিক জীবনে যেটা চলতে পারে সেটা সেনাবাহিনীতে চলতে পারে না। এজন্যই বাহিনীর শৃঙ্খলার স্বার্থে সমকামিতা বরদাস্ত করা হবে না।’’

[নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে উত্তপ্ত অসম, মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি উলফা প্রধানের ]

গত বছর সেপ্টেম্বরে সমপ্রেমকে বৈধতা দেয় সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু ছবিটা এখনও ভিন্ন ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্দরে। সমপ্রেমকে আইনি বৈধতা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জেনারেল রাওয়াত বলেন, ‘‘আমরা দেশের আইনের ঊর্ধ্বে নই। কিন্তু যখনই কেউ সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়, তখন কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন তাঁকে মেনে চলতেই হয়।’’ এমনকী পরকীয়া নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের উলট সুর রাওয়াতের গলায়। তিনি জানান, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে তোলা আইনের চোখে আর অপরাধ না হলেও পরকীয়া নিয়ে সেনাবাহিনী এখনও গোঁড়া মনোভাবই বজায় রেখেছে। সেনাবাহিনীর কোনও কর্মী বা অফিসারের পরকীয়া প্রমাণিত হলে, তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

[পুনর্বহালের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফের অপসারিত সিবিআই প্রধান অলোক ভার্মা]

এদিন উপত্যকা নিয়েও মুখ খোলেন সেনাপ্রধান৷ তিনি বলেন, ‘‘জম্মু-কাশ্মীরে শান্তি ফেরাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে সেনাবাহিনী। চিন-পাকিস্তান সীমান্তে পরিস্থিতি ভালই সামলাচ্ছেন আমাদের সেনারা। কাশ্মীরে সন্ত্রাস ও আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। সন্ত্রাস বন্ধ হলে তবেই আলোচনা শুরু হবে। কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা হতে হবে ভারতের শর্তে। অন্য কারও শর্তে নয়। আফগানিস্তানে আমাদের স্বার্থ আছে। প্রতিবেশী ওই দেশে যা চলছে আমরা তার বাইরে হতে পারি না।’’

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং