Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
জ্যোতি কুমারী

অবশেষে বিহারের বিস্ময় কন্যা জ্যোতির দারিদ্রতা মেটাতে এগিয়ে এলেন চিরাগ পাসওয়ান

অসুস্থ বাবাকে নিয়ে ১২০০ কিলোমিটার সাইকেল চালায় সে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২০, ২২:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২০, ২২:৪৮

options
link
অবশেষে বিহারের বিস্ময় কন্যা জ্যোতির দারিদ্রতা মেটাতে এগিয়ে এলেন চিরাগ পাসওয়ান zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র ১৫ বছর বয়সে পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে বিশ্বের সামনে নজির গড়েছে জ্যোতি কুমারী (Jyoti Kumari )। কৈশোরের ছেলে মানুষিকে বাদ দিয়ে বিস্ময় তৈরি করেছে প্রবীণদের চোখে। অসুস্থ বাবাকে নিয়ে হরিয়ানার গুরগাঁও থেকে সাইকেলে বিহারে ফিরেছে সে। তার এই প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ জানিয়ে পাশে থাকার বার্তা দিলেন লোক জনশক্তি পার্টির (Lok Janshakti Party) প্রধান।

গুরুগাঁওতে বাবাকে সেবা করতে দিয়ে লকডাউনের জেরে আটকে পড়ে জ্যোতি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেয় সে। দেরি না করে বাবাকে নিয়ে বারোশো কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে বাড়িতে ফেরত যায়। তাঁর অসামান্য প্রতিভা দেখে শনিবারই টুইট করে ফেডারেশন তাকে দিল্লির আইজিআই স্টেডিয়ামে ট্রায়ালে ডাকে। আজ বিহারের লোক জনশক্তি পার্টির প্রেসিডেন্ট, চিরাগ পাসওয়ান (Chirag Paswan) জ্যোতির পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। ও তার জন্য শিক্ষার দরবার অবাধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবিবার তিনি জানান, “আমি তাঁর শিক্ষার জন্য সমস্তরকমের সাহায্যের ব্যবস্থা করব। জীবনকে সঠিক পথে পরিচালনা করাতে জ্যোতি যা সিদ্ধান্ত নেবে তাঁকে সেভাবেই সাহায্য করা হবে।” সাহায্যের এই আশ্বাস পেয়ে আপ্লুত হয়ে পড়ে ১৫ বছরের বিস্ময় কন্যা। ১২০০ কিলোমিটার প্যাডেল করে বাবাকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পর তাঁর এই প্রচেষ্টা বিশ্বের দরবারে সম্মান পাওয়ায় মেয়েকে নিয়ে গর্বিত হন তার বাবা-মাও। বিস্ময় কন্যার প্রয়াসের প্রশংসায় পঞ্চমুখ আইনমমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। প্রশংসা করেছেন ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজুও। জ্যোতিকে ভবিষ্যতে সাইকেলিস্ট হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন এখনই তিনি নিজের চোখে বুনতে শুরু করেছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন:বাংলায় ২০০ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু, রেকর্ড হারে বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যাও]

এই অল্প বয়সে কঠোর পরিশ্রম ও একরোখা চেষ্টা শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরেই নয় জ্যোতিকে সম্মানিত করেছে বিশ্বের দরবারেও। ১৫ বছরের মেয়েটির বাবার প্রতি ভালবাসা আর লড়াকু মানসিকতা মন জয় করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্পেরও। তিনিও টুইটে ছোট্ট কিশোরীকে ভালবাসা ও সহনশীলতার জন্য কুর্নিশ জানিয়েছেন। তবে এখানেই শেষ নয়, এত সাহায্যের হাত এগিয়ে আসার পর কোনও পথকে সে ভবিষ্যত হিসেবে বেছে নেবে তা জিজ্ঞাসা করায় লাজুক মুখে বাবা-মায়ের দিকেই তাকিয়েছে জ্যোতি।

[আরও পড়ুন:করোনা পরীক্ষা ছাড়াই মুক্ত কোয়ারেন্টাইনে থাকা শ্রমিকরা, বাড়ছে সংক্রমণের আশঙ্কা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.