নির্বাচন কমিশন নিয়ে ফের বিস্ফোরক প্রতিবেদন ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের’। এবার ওই সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কাজকর্ম নিয়ে কমিশনের অন্দরেই অসন্তোষ রয়েছে। ‘ইসিআইনেট’ সফটওয়্যারে বদল এবং ইআরও-দের আরও ক্ষমতা দেওয়ার দাবিতে শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের চিঠি লিখেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এস চোকলিঙ্গম।
সদ্য ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ যে বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনেছে, তাতে দাবি করা হয়েছে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক ক্ষেত্রে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন পদক্ষেপে দ্বিমত পোষণ করেছেন। যে যে ইস্যুগুলিতে সবচেয়ে বেশি আপত্তি ছিল দুই নির্বাচন কমিশনারের তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল কমিশনের তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের কাজ। অভিযোগ, ভোটার লিস্টে নাম সংযোজন ও বিয়োজন অনেকাংশে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ইসিআইনেট সফটওয়্যার দ্বারা। যে কাজের ক্ষমতা ইআরও-দের, সেটা বকলমে নিয়ন্ত্রণ করছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। যার প্রধান আইটি বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্না।
আরও পড়ুন:
তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই একই ধরনের দাবিতে কমিশনের দিল্লি দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছেন মহারাষ্ট্রের সিইও এস চোকলিঙ্গম। চিঠিতে তিনি বলেন, এসআইআর-পর্বে আগের ভোটার তালিকার সঙ্গে বয়স বা বাবা-মায়ের নামের ‘ম্যাপিং’ না-হলে সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম তথ্যগত অসঙ্গতি বা ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র জন্য বাদ যাচ্ছে। এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ন্ত্রিত হয় ওই সফটওয়্যারের মাধ্যমে। সেটার নিয়ন্ত্রণ ইআরও-দের হাতে দেওয়ার দাবি জানান তিনি। তলবের ক্ষেত্রে কোনও ভোটার যদি বয়স, অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে কোনও ভোটারকে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ইআরও-সেটার নিয়ন্ত্রণও তাঁদের হাতে নেই। সেটাও রয়েছে ওই সফটওয়্যারে। সেটার নিয়ন্ত্রণও ইআরওদের দেওয়ার দাবি তুলেছেন মহারাষ্ট্রের সিইও। কমিশন নির্ধারিত ১৩টি নথির বাইরেও ‘অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি’ ভোটারদের জমা দেওয়ার বিকল্প দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। তাঁর মতে, গৃহহীন, ভবঘুরে কিংবা যৌনকর্মীরা কমিশন উল্লিখিত ১৩টি নথি দিতে ব্যর্থ হন। মহারাষ্ট্রের সিইও-র আর্জি, নাম বাদ পড়া ভোটারের নথি সন্তোষজনক হলে ইআরও-কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হোক। যাতে নথি যাচাইয়ের পর সরাসরি সেই নাম তালিকায় তুলতে পারেন ইআরও-রা।
তাঁর মূল বক্তব্য হল ভোটারদের নাম যুক্ত করা এবং বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে যতটা সম্ভবত বেশি ক্ষমতা দেওয়া হোক ইআরও-দের। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস কমিশনকে নিয়ে নিজেদের বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রকাশ করার ঠিক পরদিন এই ২৩ সেপ্টেম্বর এই চিঠি লিখেছেন মহারাষ্ট্রের সিইও। সেটাও প্রকাশ্যে এনেছে ওই সংবাদমাধ্যমই।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ক্রমশ বাড়ছে ডিভোর্সের প্রবণতা, নেপথ্যে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট-ফেসবুক পোস্ট!
-
রাহুলের দেওয়া জামায় ‘দাদাগিরি’তে সৃজিত, ‘আজ ওঁর কাছে হারতে চাই’, ‘ফার্স্ট বয়’-এর কথায় আবেগপ্রবণ দেব
-
গঙ্গাবাঁধে ভাঙনে বিপর্যস্ত রেলপথ, মালদহ ডিভিশনে বাতিল বহু ট্রেন
-
রক্তাক্ত পাইলট, উড়ান নামল ১৭ হাজার ফুট! কী ঘটেছিল ইজরায়েলগামী বিমানে?
-
র্যাম্পে হাঁটছে ডাইনির দল! প্যারিস ফ্যাশন উইকের আশ্চর্য মেকআপ লুকে তাজ্জব নেটমহল