Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
জয় শ্রীরাম

মুসলিম যুবককে মারধর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানোর চেষ্টা, রক্ষা করল হিন্দু দম্পতি

শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদের বেগমপুরা এলাকায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৯, ১৬:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৯, ১৬:২৫

options
link
মুসলিম যুবককে মারধর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানোর চেষ্টা, রক্ষা করল হিন্দু দম্পতি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের এক মুসলিম যুবককে বেধড়ক মারধর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানোর অভিযোগ উঠল মহারাষ্ট্রে। তাঁর কান্না শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে রক্ষা করে একটি হিন্দু দম্পতি। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদ শহরের বেগমপুরা এলাকায়। আক্রান্ত যুবকের নাম ইমরান ইসমাইল প্যাটেল।

[আরও পড়ুন- সোনভদ্র যাওয়ার পথে বারাণসী বিমানবন্দরে আটক তৃণমূলের প্রতিনিধিরা]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবক ইমরান ইসমাইল প্যাটেল একটি হোটেল কাজ করেন। শুক্রবার বিকেলে বেগমপুরা এলাকা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেসময় হুডকো কর্নার নামে একটি জায়গার কাছে ১০ জনের একটি দল তাঁর বাইক আটকায়। তারপর মারধর করে তাঁকে জয় শ্রীরাম বলার জন্য চাপ দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে তিনবার জয় শ্রীরাম স্লোগানও দেন তিনি। কিন্তু, তারপরেও দুষ্কৃতীদের হাত থেকে রেহাই মেলেনি। মারধর তখনও চলছিল। দুষ্কৃতীদের হাত থেকে রেহাই পেতে কান্নাকাটি শুরু করেন ইমরান। আর সেই আওয়াজ শুনে ঘটনাস্থলে থাকা একটি বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে এক হিন্দু দম্পতি। চোখের সামনে ইমরানকে মার খেতে দেখে দুষ্কৃতীদের নিরস্ত করার চেষ্টা করে। অনেক বোঝানোর পর শেষপর্যন্ত শান্ত হয়ে ইমরানকে ছেড়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। বাড়ি ফিরেই এই অন্যায় অবিচারের বিচার চেয়ে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

Advertisement

এপ্রসঙ্গে আক্রান্ত ইমরান বলেন, “শুক্রবার বিকেলে হোটেল থেকে বাইকে করে বাড়ি ফিরছিলাম। বেগমপুরার হুডকো কর্নার এলাকায় জনাদশেক ব্যক্তি আচমকা আমার রাস্তা আটকায়। তারপর জয় শ্রীরাম বলতে বলে। আমি ওদের কথা মতো তিনবার জয় শ্রীরাম বলার পরেও মারধর করতে থাকে। আঘাতের জেরে আমি যখন কাঁদছিলাম তখন এক ভদ্রলোক ও তাঁর স্ত্রী এসে আমায় রক্ষা করেন। তারপর ওই ব্যক্তিদের কাছ থেকে আমার বাইকের চাবি নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করে দেন।”

[আরও পড়ুন- হাতির মাংসে মহা উল্লাসে চলল ভুরিভোজ, নীরব দর্শক বনদপ্তর]

স্থানীয় থানার পুলিশ ইন্সপেক্টর মাধুকর সাওয়ান্ত জানান, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগটি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তদন্তও শুরু হয়েছে। তাই এখনও এই বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.