Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
TMC

‘জোড়াফুলেই লড়ব’, প্রতীক-যুদ্ধে ঋতব্রতর ‘বাপের সম্পত্তি’র পালটা মমতাপন্থী সাংসদ কল্যাণের

শনিবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে ঘণ্টা দুয়েক ধরে বৈঠক করেছেন কালীঘাটপন্থীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ১৬:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ১৬:২৩

options
link
‘জোড়াফুলেই লড়ব’, প্রতীক-যুদ্ধে ঋতব্রতর ‘বাপের সম্পত্তি’র পালটা মমতাপন্থী সাংসদ কল্যাণের zoom
দিল্লিতে কমিশনের দপ্তরে প্রতীক নিয়ে বৈঠকে কালীঘাটপন্থী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
Advertisement

উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের প্রতীক-যুদ্ধের নিষ্পত্তি হওয়ার বিষয়টি কার্যত বিশ বাঁও জলে! শনিবার ঋতব্রতপন্থী ও কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাদাভাবে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন নির্বাচন কমিশনের কর্তারা। দু’পক্ষের নথিপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তাঁদের বক্তব্যও শোনা হয়। কিন্তু বৈঠক শেষে বেরিয়ে কালীঘাটপন্থী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান, কমিশন প্রতীক নিয়ে অন্তর্বর্তী কোনও নির্দেশ দিতে পারে। তবে কোনও সিদ্ধান্ত না জানালে আসন্ন উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে জোড়াফুল প্রতীকেই লড়বেন তাঁরা।

তাঁর বক্তব্য, “প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতে পারে। তবে কিছু না বললে আমরা উপনির্বাচনে জোড়াফুল প্রতীকেই লড়ব।” এরপরই তিনি নিশানা করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁকে ‘বিজেপির দালাল’ বলে কল্যাণের কটাক্ষ, “সিপিএম থেকে গিয়ে তৃণমূল করা যায় না। নিজেকে তো বিজেপির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। প্রতীক আমরাই পাব।”

শনিবার দুপুরে ঘণ্টা দুয়েক ধরে কমিশনের দপ্তরে বৈঠক করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাকেত গোখলেরা। তার আগে অবশ্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, আখরুজ্জামানরাও বৈঠক করে এসেছেন। ঋতব্রত প্রতীক পাওয়া নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাঁর কথায়, “আমরা কমিশনকে স্পষ্ট জানিয়ে এসেছি, না খাতা না বহি/জো ডক্টর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কহে ওহি সহি। সেটা আর চলবে না। তৃণমূল কংগ্রেস কারও একার সিদ্ধান্ত চলবে না। যখনতখন ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। তৃণমূল কংগ্রেস কোনও পরিবারের দল নয়, কারও বাপের দল নয়। এটা তৃণমূল স্তরের কর্মীদের দল।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপর কালীঘাট তৃণমূলের প্রতিনিধিরাও ঘণ্টা দুয়েক ধরে কমিশনের দপ্তরে বৈঠক করেন। এরপর বেরিয়েই প্রতীক নিয়ে কার্যত আশঙ্কার সুর শোনা গেল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। তাঁর বক্তব্য, “প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতে পারে। তবে কিছু না বললে আমরা উপনির্বাচনে জোড়াফুল প্রতীকেই লড়ব।” এরপরই তিনি নিশানা করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁকে ‘বিজেপির দালাল’ বলে কল্যাণের কটাক্ষ, “সিপিএম থেকে গিয়ে তৃণমূল করা যায় না। নিজেকে তো বিজেপির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। প্রতীক আমরাই পাব।” দু’পক্ষই প্রতীক পাওয়া নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হলেও কমিশনের রায় কার পক্ষে যাবে, সেটাই লাখ টাকার প্রশ্ন। আরও কৌতূহলের বিষয়, উপনির্বাচনের আগে কমিশনের রায় না এলে ঋতব্রতপন্থীরা কী করবেন?

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.