Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Uttar Pradesh

মদ্যপ স্বামীকে ‘শিক্ষা’ দিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন! যোগীরাজ্যে কাঠগড়ায় গৃহবধূ

স্ত্রীর অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় তাঁর স্বামী প্রতিবেশীদের সঙ্গেও ঝগড়া করেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ২০:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ২০:৪৭

options
link
মদ্যপ স্বামীকে ‘শিক্ষা’ দিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন! যোগীরাজ্যে কাঠগড়ায় গৃহবধূ zoom
Advertisement

স্বামী মদ্যপ। প্রায়ই নাকি বাড়ি আসেন মদ খেয়ে। আর তাই তাঁকে ‘শায়েস্তা’ করতে খাটে শুইয়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠল এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে। অনলাইনে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি দেখে থানায় হাজির হলেন অভিযুক্তর শাশুড়ি। দাবি করলেন, বউমা নাকি পিস্তল দিয়ে গুলি করে মারার হুমকি দিচ্ছেন। এমনই এক ঘটনায় শোরগোল উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে।

সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তিকে খাটের সঙ্গে বাঁধা হয়েছে। ওই ব্যক্তিই প্রদীপ, আলিগড়ের হামিদপুরের বাসিন্দা। পুলিশ তদন্তে জানা গেছে যে প্রদীপ প্রায়শই তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ঘরোয়া বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন। স্ত্রীর অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রদীপ প্রায়শই কেবল বাড়িতেই নয়, প্রতিবেশীদের সঙ্গেও ঝগড়া করেন। ভিডিওয় প্রদীপের মা ও স্থানীয় মহিলাদের দেখা যাচ্ছে, তাঁরা গিয়ে প্রদীপের হাতের বাঁধন খুলে দেন।

Advertisement

সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তিকে খাটের সঙ্গে বাঁধা হয়েছে। ওই ব্যক্তিই প্রদীপ, আলিগড়ের হামিদপুরের বাসিন্দা। পুলিশ তদন্তে জানা গেছে যে প্রদীপ প্রায়শই তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ঘরোয়া বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন।

এদিকে এই পরিস্থিতিতে প্রদীপের মা অভিযোগের আঙুল তুলছেন তাঁর বউমার দিকেই। বলছেন, ‘আমার ছেলে প্রদীপকে ওর স্ত্রী মারধর করে। বউমার কাছে একটা পিস্তল আছে। যা দিয়ে সারাক্ষণ খুনের হুমকি দিতে থাকে। আমি পুরো বাড়ি তন্নতন্ন করে খুঁজেছি, কিন্তু পিস্তলটি খুঁজে পাইনি। পুত্রবধূ রসুলপুরের বাসিন্দা, নাম সোনি। ওদের বিয়ে হয়েছে চার বছর। গত দু’বছর ধরে আমাদের হয়রানি করে চলে চলেছে। আমরা পুলিশ এবং জনপ্রতিনিধিদের কাছেও অভিযোগ করেছি। আর এবার হাজির হয়েছিল থানায়।’ জানা যাচ্ছে, ভাইরাল ভিডিওটি দেখার পর স্থানীয় টাপ্পল থানা প্রদীপের স্ত্রীকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুরো বিষয়টিই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রদীপের স্ত্রীর হাতের বন্দুকটি ঘরের কোথাও কেন পাওয়া গেল না, সেটাও দেখছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.