Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬

টাইপিস্টের চাকরি পেতে প্রধানমন্ত্রীর সই জাল যুবকের!

বেকারত্বের হতাশা থেকেই এই কাণ্ড।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০১৮, ২০:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০১৮, ২০:০০

options
link
টাইপিস্টের চাকরি পেতে প্রধানমন্ত্রীর সই জাল যুবকের! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেকারত্ব ভারতের জ্বলন্ত সমস্যা। সরকারি চাকরি পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। সামান্য ডোমের চাকরির জন্যও পিএইচডি হোল্ডারদের লাইন পড়ে যায়। তাই সরকারি চাকরি পাওয়ার জন্য নৈতিকতার দায়বদ্ধতা ঝেড়ে ফেলছেন অনেকেই। যেনতেন প্রকারেণ গায়ে সরকারি চাকুরের ছাপ টা লাগিয়ে নিতে সবকিছু করতে প্রস্তুত এদেশের যুবসমাজ। তাই কেউ ঘুষ দিচ্ছেন আবার কেউ চেষ্টা করছেন নেতামন্ত্রীদের হাত ধরে বৈতরণি পার হতে। কিন্তু কর্ণাটকের এই যুবক এসবের ঊর্ধ্বে। তিনি সামান্য টাইপিস্টের চাকরির জন্য যা করলেন তা সত্যিই অভাবনীয়। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের লেটারহেডে, প্রধানমন্ত্রীর সই করা সুপারিশপত্র জমা দিলেন চাকরি জোগাড় করতে।পুরোটাই অবশ্য ভুয়ো।

পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত যুবক সঞ্জয় কুমার কর্ণাটকের বেলগামী এলাকায় থাকেন। সরকারের টাইপিস্ট পদে একটি চাকরি পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের লেটারহেড এবং তাতে প্রধানমন্ত্রীর সই নকল করেন। সেই চিঠিতে দেখা যাচ্ছে সঞ্জয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং টাইপিং স্পিডের প্রশংসা করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি! আসলে এর আগে বেশ কিছুদিন ধরেই সরকারি চাকরির চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু হাজারো বেকারের ভিড়ে বারবার ব্যর্থ হচ্ছিলেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা বিজ্ঞানে স্নাতক। তা সত্ত্বেও সরকারি চাকরি না জোটায় বেশ মানসিক চাপে ছিলেন। তাই শেষ পর্যন্ত ভুল পথে চাকরি জোগাড় করার চেষ্টা করেন সঞ্জয়। তাঁকে ইতিমধ্যেই প্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ইঁদুরে খেয়েছে হাজার লিটার মদ, আজব সাফাই পুলিশের]

জানা গিয়েছে, কর্ণাটক হাই কোর্টের টাইপিস্ট পদের জন্য আবেদন করেছিলেন সঞ্জয়। হাই কোর্টের রেজিস্টারের কাছে তিনি নকল চিঠিটি জমা দেন। চিঠিটি এমনভাবে লেখা হয়েছিল যেন তা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী লিখছেন হাই কোর্ট কর্তৃপক্ষকে। সঞ্জয়কে চাকরি দেওয়ার সুপারিশ করছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। সুপারিশপত্রটি দেখার পরই সন্দেহ হয় হাই কোর্ট কর্তৃপক্ষের। তাঁরা যোগাযোগ করেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে। সেখান থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় এমন কোনও চিঠি দেওয়া হয়নি। এরপরই পুলিশকে গোটা ঘটনা জানায় আদালতের দুর্নীতিদমন বিভাগ। গ্রেপ্তার করা হয় সঞ্জয়কে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.