BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

খাওয়ানোর ক্ষমতা নেই, একরত্তি মেয়ের গলা কেটে ‘মুক্তি’ দিল বাবা

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: May 2, 2020 2:20 pm|    Updated: May 2, 2020 2:20 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার সংক্রমণ রুখতে বাড়ানো হয়েছে লকডাউন (lock down) -এর সময়সীমা। এর ফলে আরও সমস্যায় পড়েছেন প্রান্তিক শ্রেণির মানুষরা। সরকারের তরফ থেকে রেশনের কিছু সামগ্রী বিনামূল্যে দেওয়া হলেও জীবনযাপনের পক্ষে তা যথেষ্ট নয়। এদিকে কোনও কাজ না থাকায় হাতে টাকাও নেই। এর ফলে হাহাকারের শব্দ শোনা যাচ্ছে চারিদিকে। এর মাঝেই অভাবের জ্বালায় নিজের ৪ বছরের শিশুকন্যাকে গলা কেটে খুন করল এক যুবক। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার সাঙ্গা রেড্ডি জেলার গঙ্গুলুরু এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রী, দুই কন্যা ও এক শিশুপুত্রকে নিয়ে সাঙ্গা রেড্ডির জেলার আদিবাসী অধ্যুষিত গঙ্গুলুরু এলাকায় বসবাস করে জীবা নামে ৩০ বছরের ওই যুবক। বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রী ও শিশুপুত্রকে সঙ্গে নিয়ে একটি ঘরের মেঝেতে মাদুর পেতে শুয়ে ছিল সে। অন্য মাদুরে তাদের দুই নাবালিকা কন্যাকে নিয়ে শুয়ে ছিল এক আত্মীয়। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ আচমকা পরিবারের সমস্ত সদস্যকে ঘুমে থেকে তুলে দেয় জীবা। তারপর উত্তেজিত গলায় জানায় তাদের চার বছরের শিশুকন্যাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

[আরও পড়ুন: উসকানির অভিযোগে দিল্লির সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে FIR ]

এরপরই প্রতিবেশীদের সঙ্গে মিলে বাচ্চা ওই মেয়েটিকে খুঁজতে শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। কিছুক্ষণ বাদে বাড়ির কাছে থাকা একটি জায়গা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সন্দেহে হওয়া জীবাকে আটক করে জেরাও করতে শুরু করে। কিছুক্ষণ বাদে নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে সে। জানায়, চাষের জন্য অনেক ধার হয়ে গিয়েছিল তার। লকডাউনের ফলে অভাব আরও বেড়ে যায়। এর ফলে কীভাবে তিন সন্তানের খাবার জোগাড় করবে তা নিয়ে চিন্তা করতে করতে মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল জীবা। তাই তিনজনের মধ্যে একজনকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া পরিকল্পনা নেয়। সেই মতো বৃহস্পতিবার রাতে সবাই যখন ঘুমোচ্ছিল তখন সবজি কাটার ছুরি দিয়ে চার বছরের মেয়ের গলা কেটে খুন করে সে।

[আরও পড়ুন: CRPF ডেরায় প্রকট হচ্ছে করোনা আতঙ্ক, মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত ১২৭ জওয়ান]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement