Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Migrant worker

হায়দরাবাদ থেকে হেঁটে পশ্চিমবঙ্গে ফেরার চেষ্টা, রাস্তাতেই মৃত ষাটোর্ধ্ব পরিযায়ী শ্রমিক

কবে থামবে পরিযায়ীদের মৃত্যুমিছিল? প্রশ্ন নেটিজেনদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২০, ১৮:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২০, ১৮:৪২

options
link
হায়দরাবাদ থেকে হেঁটে পশ্চিমবঙ্গে ফেরার চেষ্টা, রাস্তাতেই মৃত ষাটোর্ধ্ব পরিযায়ী শ্রমিক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের ফলে গত ২৫ মার্চ থেকে দেশজুড়ে লকডাউন (lockdown) চলছে। এর ফলে সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়ছেন ভিনরাজ্যে আটকে থাকা পরিযায়ী মানুষরা। গত ৫০ দিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হেঁটে নিজেদের রাজ্যে ফেরার সময় এদের মধ্যে অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে। কেউ কেউ আবার মারা গিয়েছেন পথ দুর্ঘটনায়। শুক্রবার সকালেও হায়দরাবাদ থেকে পশ্চিমবঙ্গে হেঁটে আসার সময় রাস্তায় পড়ে মারা গেলেন এক পরিযায়ী শ্রমিক। মৃতের নাম হায়ার মহম্মদ(৬০)। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার বালাসোর জেলার সোরো এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলি জেলার গোঘাটের পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা ৬০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। লকডাউন চালুর হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ খাকায় প্রবল আর্থিক সমস্যার মধ্যে পড়েছিলেন তিনি। বাধ্য হয়ে তাই পাঁচদিন আগে ভাইপো এ মহম্মদকে সঙ্গে নিয়ে পায়ে হেঁটে পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশে রওনা দেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বালাসোর জেলার সোরো এলাকায় এসে পৌঁছয় তাঁরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সরকারি কোভিড হাসপাতালে ‘পশুর মতো আচরণ’ করা হচ্ছে! বিক্ষোভ যোগীর রাজ্যে ]

রাতে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বন্ধ একটি দোকানের বারান্দায় শুয়ে ছিলেন ওই ব্যক্তি ও তাঁর ভাইপো। সকালে ঘুম থেকে উঠে কাকাকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এ মহম্মদ। এরপরই স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহায্যে পুলিশকে খবর দেন তিনি। পুলিশ এসে হায়ারকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু, সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ।

এপ্রসঙ্গে মৃতের ভাইপো জানান, হায়দরাবাদে একটি কনস্ট্রাকশন ফার্মে কাজ করতেন তাঁরা। মার্চ মাসের শেষে লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই তা বন্ধ হয়ে যায়। প্রথমে লকডাউন ওঠার অপেক্ষায় থাকলেও পরে পরিস্থিতি খুব সঙ্গীন হয়ে ওঠে। পকেটে একটাও টাকা ছিল না। বাধ্য হয়ে তাঁরা দুজনে হেঁটেই বাড়ির ফেরার পরিকল্পনা নেন। ওড়িশার বালাসোর পর্যন্ত পৌঁছতে পারলেও আর শেষ রক্ষা হল না। রাস্তাতেই মৃত্যু হল কাকার।

[আরও পড়ুন: লকডাউনে নয়া উদ্যোগ, প্রত্যন্ত এলাকার মানুষদের অত্যবশ্যকীয় পণ্য পৌছে দেবে SpiceJet]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.