Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
পরিযায়ী শ্রমিক

বালাই নেই সামাজিক দূরত্বের, কলা নিতে হুড়োহুড়ি পরিযায়ী শ্রমিকদের

উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ কলেজের ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২০, ১৪:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২০, ১৪:৩৫

options
link
বালাই নেই সামাজিক দূরত্বের, কলা নিতে হুড়োহুড়ি পরিযায়ী শ্রমিকদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিযায়ী শ্রমিকদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছনোর পথে বেশ কয়েকটি বিশ্রামাগারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সেখানে ঠিকমতো খাবার, জল পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ কলেজে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে বন্ধ দরজার বাইরে থেকে খাবার দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। সম্প্রতি এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। যাকে কেন্দ্র করে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। 

পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেই অনুযায়ী মধ্যপ্রদেশে আটকে পড়া বেশ কয়েকজন শ্রমিককে ফেরানোর বন্দোবস্ত করা হয়। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ কলেজে তাঁদের বিশ্রামের বন্দোবস্ত করা হয়। কথা ছিল সেখানেই দেওয়া হবে খাবার এবং জল। কিন্তু অভিযোগ, সারারাত কোনও খাবার দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে সকালের দিকে কলেজের বাইরে থেকে হাত বাড়িয়ে কলা, বিস্কুট এবং জল এগিয়ে দেওয়া হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, ওই খাবার নিতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। সামাজিক দূরত্ব বজায়ের কথা ভুলে খাবার নিতে ছুটে যান তাঁরা। প্রয়াগরাজ কলেজে থাকা এক শ্রমিক বলেন, “আমি ভোপাল থেকে আসছি। রায়বরেলিতে যাব। যাওয়ার পথে প্রয়াগরাজ কলেজে আমাদের থাকার বন্দোবস্ত করা হয়। তবে সারারাত আমাদের কিছুই খেতে দেওয়া হয়নি। কোনও ব্যবস্থাই নেই। তাই দরজার বাইরে থেকে যখন খাবার দেওয়া শুরু হল, তখন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা মাথায় ছিল না।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: খাওয়ানোর ক্ষমতা নেই, একরত্তি মেয়ের গলা কেটে ‘মুক্তি’ দিল বাবা]

যদিও প্রয়াগরাজের এক আধিকারিক সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওর সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি টুইটে জানান, “এটা কোয়ারেন্টাইন সেন্টার নয়। মধ্যপ্রদেশ থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের এখানে থাকার ব্যবস্থা করেছিলাম। তাঁদের কলা দিয়েছিলাম আমরা। তবে যখন দেখা যায় খাবার নেওয়ার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন তাঁরা, তখন খাবার দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছনোর বাসে ওঠার পরই তাঁদের হাতে খাবার দেওয়া হয়।”

উল্লেখ্য, সপ্তাহখানেক আগেও আগ্রার দু’টি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। যাতে দেখা যায়, বন্ধ দরজার বাইরে থেকে হাতে হাতে খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। খাবার পাওয়ার আশায় সামাজিক দূরত্ব বজায়ের কথাও ভুলে গিয়েছেন সকলেই। ওই ভিডিও নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে আবারও প্রয়াগরাজ কলেজের ঘটনায় উঠেছে সমালোচনার ঝড়।

[আরও পড়ুন: লকডাউনের মধ্যেই পুণ্যার্থীদের কেদারনাথ যাত্রার অনুমতি দিচ্ছে উত্তরাখণ্ড সরকার!]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.