BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

আড়াই বছর পর বৈঠক, বাসভবনে গিয়ে মোদিকে কুর্তা উপহার মমতার

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: September 18, 2019 5:16 pm|    Updated: September 18, 2019 8:16 pm

An Images

ফাইল চিত্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনৈতিক বিরোধিতা সবসময় আছে, থাকবেও। কিন্তু তিনিই বড় রাজনীতিক, যিনি যে কোনও সময় রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে স্বাভাবিক সৌজন্যবোধ, আবেগ দ্বারা নিজেকে চালিত করতে পারেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সবসময়েই আমরা সেই ভূমিকায় দেখেছি। এবারও ব্যতিক্রম হল না। প্রশাসনিক আলোচনার জন্য দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে এবারও তাঁর হাতে মমতা তুলে দিলেন উপহার। একটি কুর্তা। জন্মদিন পরের দিনই এই উপহার পেয়ে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন: রুগণ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ঋণ টানতে নাজেহাল! বড়সড় ক্ষতির মুখে LIC]

প্রায় আড়াই বছর পর দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার যাওয়ার সময়ে তিনি বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে বলেছেন, ‘প্রশাসনিক বাধ্যবাধকতা থেকেই দিল্লি যাচ্ছি। রাজ্য-কেন্দ্র সমন্বয়ের মাধ্যমেই তো সব কাজ চলে।’ বুধবার বিকেলে নির্ধারিত সময়ের বৈঠকে দুজনের মধ্যে একাধিক বিষয় আলোচনার সম্ভাবনা। সেই তালিকায় যেমন রয়েছে রাজ্যের পাওনা আদায়ের বিষয়, তেমনই রয়েছে এনআরসি, রাজ্যের নাম বদল ইস্যুও। সেসব তো একেবারে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর রুদ্ধদ্বার কথাবার্তা, আলোচনা। কিন্তু মোদি-মমতার সম্পর্ক তো ঠিক এই প্রশাসনিক স্তরেই বাঁধা নেই। রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের একটা আন্তরিক সম্পর্কও আছে। তা বজায় রাখতে সদা তৎপর দুজনেই। পয়লা বৈশাখে বাংলার আম, কুর্তা উপহার পান মোদি। পুজোর সময়েও কুর্তা পৌঁছে যায় বাংলা থেকে দিল্লি। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে দেখাসাক্ষাতের সময়েও উপহারের ডালি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকেই।
এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ৭, লোককল্যাণ মার্গে পৌঁছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি কুর্তা তুলে দেন মোদির হাতে। দেন ফুলের তোড়াও। প্রধানমন্ত্রীও মমতাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এবিষয়ে উল্লেখযোগ্য মঙ্গলবার দমদম বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হঠাৎ দেখা হয়ে যায় প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী যশোদাবেনের। তিনি বিমানবন্দরের বিশ্ব বাংলা স্টল থেকে যশোদাবেনকে একটি শাড়ি কিনে দেন। তাও এক সৌজন্যের নজির। এরপর আজকের এই উপহার। বোঝাই যাচ্ছে, রাজনীতি আর সৌজন্যবোধের পৃথক জায়গা একে অপরকে দিতে কখনও পিছপা হন না।

[আরও পড়ুন: ‘কোনও ভাষাই জোর করে চাপাতে পারেন না’, অমিত শাহকে কটাক্ষ রজনীকান্তের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement