Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
বন্যা

বানভাসি বিহার ও অসমে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৯

সামান্য হলেও উন্নতি হয়েছে পরিস্থিতির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৯, ০৯:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৯, ০৯:২৬

options
link
বানভাসি বিহার ও অসমে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৯ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সামান্য হলেও উন্নতি হয়েছে বিহার ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বন্যা পরিস্থিতির। যদিও এখনও পর্যন্ত বন্যার জেরে অসম এবং বিহারে মোট ১৪৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক কোটি ১৫ লক্ষ। শুধুমাত্র বিহারেই বন্যাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ৯২ জনের। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে মারা গিয়েছে ১৪ জন। আর অসমে এই কয়েকদিনে মারা গিয়েছেন ৪৭ জন। যার মধ্যে শুক্রবার মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের।

[আরও পড়ুন- মোদির সঙ্গে বৈঠক করতে ভারতে আসছেন চিনের রাষ্ট্রপতি]

বিহার বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে নেপালে প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিহারের সীতামারি জেলা। শুধুমাত্র এখানেই মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। এছাড়া গোটা রাজ্যের মোট ১২টি জেলা বন্যাকবলিত। আর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মোট ৬৬ লক্ষ ৭৬ হাজার মানুষ। গোটা রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দুর্গতদের প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। বিভিন্ন জায়গায় অস্থায়ী ত্রাণ শিবিরও খোলা হয়েছে। বিপর্যস্ত মানুষের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ১৮০ কোটি টাকা পাঠানোও হয়েছে সরকারের তরফে।

Advertisement

অন্যদিকে, অসম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এএসডিএমএ)-র তরফে একটি বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২৭টি জেলার তিন হাজার ৭০৫টি গ্রামের ৪৮ লক্ষ ৮৭ হাজার মানুষ বন্যাকবলিত। গত কয়েকদিনে মোট ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত জলের তলায় রয়েছে একলক্ষ ৭৯ হাজার হেক্টর কৃষিজমি।

[আরও পড়ুন- স্বাধীনতা দিবসের ভাষণের জন্য সাধারণের মতামত চেয়ে ওপেন ফোরাম প্রধানমন্ত্রীর]

কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান ও পবিতোড়া ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারি ৯০ শতাংশ এলাকা জলমগ্ন। হরিণ-সহ অন্য পশুরা কার্বি আংলং হিলের উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। এর মধ্যে শুক্রবার ধুবরি জেলায় পাঁচজন, বরপেটা এবং মরিগাঁও জেলায় তিনজন করে মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.