Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Pahalgam Attack

চিনা ‘গো প্রো ক্যামেরা’য় বন্দি পহেলগাঁও নারকীয়তা, তদন্তে বেজিংয়ের সাহায্য চায় এনআইএ

ওই ক্যামেরা থেকে হামলার আগে কী কী করা হয়েছিল, কোথায় কোথায় গিয়েছিল জঙ্গিরা, এ রকম বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আদালতে দাবি করে এনআইএ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২৬, ১৩:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২৬, ১৩:৪০

options
link
চিনা ‘গো প্রো ক্যামেরা’য় বন্দি পহেলগাঁও নারকীয়তা, তদন্তে বেজিংয়ের সাহায্য চায় এনআইএ zoom
পহেলগাঁও তদন্তে গো প্রো ক্যামেরার তথ্য পেতে বেজিংয়ের দ্বারস্থ এনআইএ।

পহেলগাঁওয়ে হামলার (Pahalgam Attack) দৃশ্য ধরে রাখতে জঙ্গিরা গো প্রো ক্যামেরা ব্যবহার করেছিল। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র সন্দেহ, সেই গো প্রো ক্যামেরা চিনের এক দোকান থেকে কেনা হয়েছিল। সেই সূত্র ধরে ওই ক্যামেরার তথ্য জানতে এবার বেজিংয়ের সাহায্য চেয়েছে এনআইএ। জম্মু আদালতে একটি চিঠি দেওয়া হয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার সময় জঙ্গিদের ব্যবহৃত ক্যামেরা চিনের এক ডিস্ট্রিবিউটারের কাছ থেকে কেনা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তার প্রেক্ষিতে এবং তদন্তের স্বার্থে সেই ক্যামেরার তথ্য সংগ্রহে বেজিঙের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।

ওই হামলার ষড়যন্ত্রে ব্যবহৃত সমস্ত ডিজিটাল ডিভাইস পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। সেগুলির মধ্যে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে সন্দেহ দৃঢ় হয় তদন্তকারীদের। সেটি গো প্রো হিরো ১২ ক্যামেরা। ওই ক্যামেরা থেকে হামলার আগে কী কী করা হয়েছিল, কোথায় কোথায় গিয়েছিল জঙ্গিরা, এ রকম বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আদালতে দাবি করে এনআইএ।

Advertisement

চিনের ডংগুয়ানে ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ওই ক্যামেরা সক্রিয় হয়।

তার পরই আদালত এনআইএ-র আবেদন মঞ্জুর করে। জঙ্গিরা যে গো প্রো ক্যামেরা ব্যবহার করেছিল, নেদারল্যান্ডসে সেটির নির্মাণসংস্থার কাছেও তথ্য চাওয়া হয়েছে। কী ভাবে ওই ক্যামেরা জঙ্গিদের হাতে পৌঁছাল, কোন প্রক্রিয়ায় ওই ক্যামেরা সক্রিয় করা হয়েছিল ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর পেতে চান তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, ক্যামেরা নির্মাণকারী সংস্থা গো প্রো বিভি তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা দাবি করেছে, চিনের ‘এ’-‘ই’ গ্রুপ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কাছে ক্যামেরাটি সরবরাহ করা হয়েছিল। চিনের ডংগুয়ানে ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ওই ক্যামেরা সক্রিয় হয়।

নির্মাণকারী সংস্থাটি এটাও দাবি করেছে যে, তার পর ওই ক্যামেরা কাদের হাতে কী ভাবে পৌঁছেছিল, সে সম্পর্কে তাদের কাছে কোনও তথ্য নেই। তাদের দাবি, এই ক্যামেরা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একমাত্র চিন প্রশাসনই দিতে পারবে। নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে এই তথ্য পাওয়ার পরই বেজিঙের সহযোগিতা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার পর আদালতে আবেদন করে এনআইএ। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিলে পহেলগাঁওয়ে হামলা চালায় সশস্ত্র জঙ্গিরা। সেই হামলায় ২৫ জন নিহত হয়েছিলেন। জঙ্গিরা হামলার ঘটনা রেকর্ড করতে গো প্রো ক্যামেরা ব্যবহার করেছিল। এ বার সেই ক্যামেরা সম্পর্কে জানতে তৎপর হল এনআইএ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.