BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ, করোনা আক্রান্তের নিরিখে ইউহানকে ছাড়িয়ে গেল মুম্বই!

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: June 9, 2020 1:39 pm|    Updated: June 9, 2020 1:41 pm

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ত্রাসে কাঁপছে ভারত। হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা লকডাউনেও মিলছে না আশানুরূপ ফল। পরিস্থিতি কতটা জটিল তা স্পষ্ট করে এবার করোনা আক্রান্তের নিরিখে চিনের ইউহান শহরকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে মুম্বই।

[আরও পড়ুন: হটস্পট এলাকার ৩০ শতাংশ বাসিন্দাই করোনা সংক্রমিত! দাবি ICMR-এর সমীক্ষায়]

সরকারি পরিসংখ্যান মতে, সোমবার পর্যন্ত মুম্বইয়ে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৫০ হাজার ৮৫ জন। মঙ্গলবার বেসরকারি পরিসংখ্যান মতে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৪৯০। চিন সরকারের পরিসংখ্যান মতে করোনা ভাইরাসের উৎসস্থল চিনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী ইউহান শহরে এপর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ৩৪০। এই পরিসংখ্যান সাফ করে দিচ্ছে যে, লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব নিয়ে কড়াকড়ি সত্ত্বেও নোভেল করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থামানো যাচ্ছে না।

তবে কিছুটা আশার আলো দেখিয়েছে মহারাষ্ট্রের দুই হটস্পট, ধারাভি (Dharavi) ও ওরলি (Worli)। সেখানেই পরিস্থিতির বদল ঘটছে। বৃহন্মুম্বই পুরসভার রিপোর্টে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে ঘনবসতিপূর্ণ ধারাভিতে সংক্রমণের হার অনেকটাই কমেছে। আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে ওরলিতেও। যেখানে দেশে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা সেখানে ধারাভি-ওরলিতে কমছে সংক্রমণ। পরিবর্তে এই বসতিগুলিতে বাড়ছে সুস্থতার হারও। মে মাসে ওরলিতে ক্রমেই বাড়ছিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিন গড়ে ৬০ জনের শরীরে মিলছিল মারণ ভাইরাসের উপস্থিতি। চলতি মাসের শুরুতেই সেই ছবি পরিবর্তিত হয়। সংক্রমণের মাত্রা গড়ে ৬০ থেকে কমে ৩৫ থেকে ৪০-এ নেমে আসে। ধারাভিতেও সংক্রমণ বৃদ্ধির হারও কমেছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দেশে রেকর্ড হারে বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। একদিনেই প্রায় ১০ হাজার মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যাটাও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৯৮৭ জন। যা এখনও পর্যন্ত একদিনে সর্বাধিক। ফলে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২ লক্ষ ৬৬ হাজার ৫৯৮ জন। এদের মধ্যে এখনও সক্রিয় অর্থাৎ চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১ লক্ষ ২৯ হাজার ৯১৭ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লক্ষ ২৯ হাজার ২১৫ জন।

[আরও পড়ুন: প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন চরণ শেঠি, শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement