Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
RSS

যুবকের জন্য ছেড়েছিলেন হাসপাতালের বেড, বাড়িতেই মৃত্যু করোনা আক্রান্ত অশীতিপর RSS সদস্যের

অক্সিজেনের অভাবে বাড়িতেই প্রাণ হারালেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২১, ১৬:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২১, ১৬:৩৬

options
link
যুবকের জন্য ছেড়েছিলেন হাসপাতালের বেড, বাড়িতেই মৃত্যু করোনা আক্রান্ত অশীতিপর RSS সদস্যের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে শয্যা সংকট হাসপাতালে। চিকিৎসা না পেয়েই মৃত্যু হচ্ছে রোগীর। এই পরিস্থিতিতে এক অন্য ছবি দেখা গেল নাগপুরে।বছর চল্লিশের এক করোনা আক্রান্তের জীবন বাঁচাতে হাসপাতালের বেড ছেড়ে দিলেন অশীতিপর বৃদ্ধ। শেষ পর্যন্ত অক্সিজেনের অভাবে বাড়িতেই প্রাণ হারালেন তিনি।

৮৫ বছরের ওই বৃদ্ধের নাম নারায়ণ দাভালকর। তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সদস্য। গত কয়েকদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। নাগপুরের ইন্দিরা গান্ধী সরকারি হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। সেদিনই তিনি জানতে পারেন, এক মহিলা তাঁর স্বামীকে ভরতি করতে চেয়ে হন্যে হয়ে হাসপাতালের বেড খুঁজছেন। কিন্তু কোনও হাসপাতালে শয্যা খালি নেই। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকদের কথা না শুনেই নিজের বেড ছেড়ে দেন নারায়ণ।

Advertisement

[আরও পড়ুন : এবার গণনাকেন্দ্রেও অবাধ প্রবেশ নয় প্রার্থীদের! শর্ত চাপাল কমিশন]

চিকিৎসকদের তিনি বলেন, “আমার ৮৫ বছর বয়স। আমি অনেকদিন তো বাঁচলাম। এখন ওই যুবককে বাঁচানো গুরুত্বপূর্ণ। ওঁর ছোট ছোট ছেলেমেয়ে আছে। দয়া করে আমার বেড ওদের দিয়ে দিন।” চিকিৎসকরা জানিয়েছেন. নারায়ণের শারীরিক অবস্থা মোটেও ভাল ছিল না। হাসপাতালে থেকে ওঁর চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কারওর কথা শুনতে চাননি তিনি। মেয়েকে ফোন করে তাঁকে বাড়ি নিয়ে যেতে বলেন নারায়ণ। হাসপাতাল থেকে ফেরার তিনদিনের মাথায় মঙ্গলবার বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

ঘটনা প্রসঙ্গে দাভালকরের মেয়ে জানিয়েছেন, “২২ তারিখ বাবার প্রবল শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। তাই তাঁকে ইন্দিরা গান্ধী সরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। অনেক চেষ্টার পর বাবাকে ভরতি করতে পেরেছিলাম। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বাবা ফোন করে বাড়ি ফিরে আসেন। বলেছিলেন, যুবকের প্রাণ বাঁচানো জরুরি।” কোনও রোগী বেড ছেড়ে দিলে সেই বেড কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি পেতে পারেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, দাভালকরকে কোভিড ওয়ার্ডে ভরতি করা হয়নি। তিনি জেনারেল ওয়ার্ডে ছিলেন। তবু তিনি বেড ছেড়ে দেওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপর চাপ একটু কমেছিল। তবে আরএসএস সদস্যর এই ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা।

[আরও পড়ুন : রোগীর মৃত্যুর গুজবে রণক্ষেত্র হাসপাতাল! হেলমেট, ফ্যান দিয়ে মারধর নার্সকে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.