Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৮ জুন ২০২৬
মাস্ক

মাস্ক না পরে রাস্তায় বেরোচ্ছেন? এই জেলায় ঢুকলেই হতে পারে মোটা অঙ্কের জরিমানা

কোথায় বাধ্যতামূলক মাস্ক?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২০, ১৬:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২০, ১৬:৪১

options
link
মাস্ক না পরে রাস্তায় বেরোচ্ছেন? এই জেলায় ঢুকলেই হতে পারে মোটা অঙ্কের জরিমানা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি কি মাস্ক ছাড়াই বাইরে বেরোচ্ছেন? উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে আপনার জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ। মোটা অঙ্কের জরিমানাও পকেট থেকে খসতে পারে। কারণ, এমনই নিয়ম জারি হয়েছে ওড়িশার গঞ্জামে। মাস্ক ছাড়া কাউকে দেখলেই করা হচ্ছে জরিমানা। রবিবার থেকে এই নিয়ম জারি করা হয়েছে। 

ওড়িশার বাহরামপুরের সাব কালেক্টর সিন্ধে দত্তাত্রেয় ভাউসাহেব বলেন, “গঞ্জামের মাটিয়াশাহি গ্রামের বহু মানুষ কর্মসূত্রে ভিনরাজ্যে এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কাজ করেন। তাঁরা লকডাউনের মাত্র কয়েকদিন আগে এখানে ফেরেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজরদারি চলছে। তাঁদের গঞ্জামে প্রবেশের পর থেকে বাইরে থেকে আসা গাড়ি এখানে ঢোকা বারণ করে দেওয়া হয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তারপর থেকে গঞ্জামে মুখ ঢেকে ঘোরাফেরার বিধিও চালু করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কালেক্টর বিজয় আম্রুতা কুলাঞ্জ বলেন, “গঞ্জামে কাউকে ঢুকতে গেলে যেকোনও উপায়ে নাক-মুখ ঢাকা দেওয়া বাধ্যতামূলক। মাস্ক পরতে পারেন। যদি দেখেন মাস্ক নেই আপনার কাছে তাহলে রুমাল, যেকোনও কাপড় কিংবা ওড়না দিয়ে মুখ-নাক ঢাকা দিতেই হবে। নইলে জরিমানা করা হচ্ছে। শহরাঞ্চল থেকে আসা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ ১০০০ টাকা। যাঁরা গ্রামাঞ্চল থেকে আসছেন তাঁদের ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে।”

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে লকডাউনের মধ্যে সেনা অভিযানে খতম ৯ জঙ্গি, শহিদ পাঁচ জওয়ান]

ওড়িশাতেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমণের আশঙ্কায় কাঁটা প্রায় প্রত্যেকেই। তাই সব সময়ই সাবধানতা অবলম্বন করা হচ্ছে। ব্যবহার করা হচ্ছে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার। মাস্কের আকাল ঘোচাতে আসরে নেমেছে সে রাজ্যের সরকার। বিভিন্ন  স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কমপক্ষে ৪০০ সদস্য নিজে হাতে মাস্ক তৈরির কাজ শুরু করেছে। প্রায় ১০ লক্ষ মাস্ক তৈরি করেছেন তাঁরা। এছাড়াও ওড়িশা সরকারের মিশন শক্তি প্রকল্পে প্রতিদিন ৫০ হাজার মাস্ক তৈরি করা হচ্ছে। যার ফলে মাস্কের ঘাটতি অনেকটাই কমেছে বলে দাবি প্রশাসনিক আধিকারিকদের।  

[আরও পড়ুন: কারা যোগ দিয়েছিলেন তবলিঘির জমায়েতে? খুঁজে বার করতে দিল্লি পুলিশের অস্ত্র জিপিএস ডেটা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.