Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Assam

‘গোরক্ষা আমাদের সংস্কৃতি’, অসমে কংগ্রেসের গলায় ‘নরম হিন্দুত্ব’র সুর

আইন করে গোমাংসের বিক্রি নিষিদ্ধ করতে চলেছে অসম সরকার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২১, ১০:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২১, ১০:০৮

options
link
‘গোরক্ষা আমাদের সংস্কৃতি’, অসমে কংগ্রেসের গলায় ‘নরম হিন্দুত্ব’র সুর zoom
গৌরব গগৈ। ফাইল ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রতি অসম (Assam) বিধানসভায় ‘গবাদি পশু সংরক্ষণ’ বিল পেশ করেছেন মুখ্যমন্তী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এবার আইন করে গোমাংসের বিক্রি নিষিদ্ধ করতে চলেছে অসম সরকার। আর গোরক্ষার নামে গেরুয়া শিবিরের হিন্দুত্ব তাসে কংগ্রেসের রীতিমতো অজগরের হরিণ গেলার মতো অবস্থা।

[আরও পড়ুন: সংঘর্ষে খতম লস্কর কমান্ডার-সহ ৩ জঙ্গি, কাশ্মীরে কোণঠাসা পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন]

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নয়া বিল নিয়ে বক্তব্য রাখেন অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈর পুত্র তথা কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ। বিলটির সরাসরি বিরোধিতা না করে তাঁর মন্তব্য, “গোরক্ষা আমাদের সংস্কৃতি। আমরা গরু বিহু নামের উৎসব পালন করি। অসমে গোরক্ষা আইন রয়েছে। যদি সরকার পরিবর্তন আনতে চায় তাহলে ওই আইনে বদল আনা যেতেই পারে। এবং তা আমাদের সংস্কৃতি মেনেই করা যেতে পারে। কিন্তু তা না করে এখানে উত্তরপ্রদেশের মতো বদল আনার চেষ্টা হচ্ছে। তার মানে এই নির্দেশ আরএসএস থেকে আসছে। আমাদের গোপালকদের কোল্ড স্টোরেজের প্রয়োজন। সরকারের উচিত তাদের কথা ভাবা।” বিশ্লেষকদের মতে, অসমে গোমাংস অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাবাবেগের কথা মাথায় রেখে সরাসরি ‘গবাদি পশু সংরক্ষণ’ বিলের বিরোধিতা করছে না কংগ্রেস। বরং গৌরবের গলায় খানিকটা নরম হিন্দুত্বের সুরই শোনা যাচ্ছে। তবে সংখ্যালঘু ভোটের কথা মাথায় রেখে নিয়ন্ত্রিত প্রতিবাদ করতে হচ্ছে দলকে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার থেকে অসম বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। সেখানে প্রথমদিনই বহু চর্চিত ‘গবাদি পশু সংরক্ষণ বিল পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। বিজেপি শাসিত অন্য রাজ্যেগুলির মতই, এই রাজ্যেও গরু বাঁচাতে এবং সংরক্ষণ করার লক্ষ্য নিয়েই এই আইন আনার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যে আইন নিয়ে আসা হচ্ছে তাতে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া গবাদি পশুকে ‘জবাই’ করা , খাওয়া এবং গো পরিবহণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পর্যাপ্ত আইনি বিধান রাখা হয়েছে। যদি কেউ এই আইন না মানেন তাহলে আইন অমান্যকারীর আট বছর পর্যন্ত জেল এবং ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে। কেউ যদি একই অপরাধ দ্বিতীয়বার করেন তাহলে তার জরিমানা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এই বিল আইনে পরিণত হলে বাংলাদেশে গরু পাচার কমবে বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন: কুম্ভমেলা থেকে শিক্ষা! অতিমারী আবহে এবারের কানোয়ার যাত্রা বাতি‌ল করল উত্তরাখণ্ড সরকার]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.