Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
ইসরো

মহাকাশ গবেষণায় নয়া বিপ্লব, প্রথম স্পেস স্টেশন তৈরি করতে চলেছে ভারত

ভারতই একমাত্র দেশ হিসেবে সক্রিয় স্পেস স্টেশনের মালিক হতে চলেছে!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০১৯, ১৯:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০১৯, ১৯:২২

options
link
মহাকাশ গবেষণায় নয়া বিপ্লব,  প্রথম স্পেস স্টেশন তৈরি করতে চলেছে ভারত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহাকাশ গবেষণায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে চলেছে ইসরো। ইতিহাস তৈরি করে প্রথমবার মহাকাশে নিজস্ব স্পেস স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা শুরু করেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এই মুহূর্তে মহাকাশে একটিমাত্র স্পেশ স্টেশন সক্রিয় রয়েছে। যা আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন হিসেবে পরিচিত। ভারত পৃথক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র তৈরি করলে তাই হবে মহাকাশের দ্বিতীয় সক্রিয় স্পেস স্টেশন। এর আগে এই ধরনের স্পেস স্টেশন ছিল আমেরিকা, রাশিয়া এবং চিনের। কিন্তু, সেগুলির কোনওটিই আর সক্রিয় নয়।

[আরও পড়ুন: চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিতে প্রস্তুত ‘চন্দ্রযান-২’, উৎক্ষেপণের দিন ঘোষণা ইসরোর  ]

ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবান জানিয়েছেন, গগনযান মিশনের সাফল্যের জন্যই ভারত পৃথক স্পেস স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা করছে। প্রাথমিকভাবে ২০৩০-সালের লক্ষ্যমাত্র নেওয়া হয়েছে। তাঁর আগেই স্পেশ স্টেশন তৈরি করে ফেলা যাবে বলে আশাবাদী ইসরোর কর্তারা। “আমাদের গগনযান মিশনটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। মহাকাশে মানুষ পাঠানোর পরই আমরা একটা স্পেস স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা করছি।” প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী মহাকাশে ২২ টনের একটি স্পেস স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। মহাকাশে নভশ্চরদের ১৫-২০ দিন থাকার ব্যবস্থা করা হবে ওই স্পেস স্টেশনে। এই কাজটি যে অত্যন্ত কঠিন এবং খরচসাপেক্ষ সে কথা বলাই বাহুল্য।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভেঙে পড়া বায়ুসেনা বিমান আন্তোনভের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার, মিলল ১৩ জনের দেহও]

ইসরো জানিয়েছে, অন্য কোনও দেশের সঙ্গে এই মিশনের জন্য কোনও চুক্তি করবে না ভারত। এই মিশনটি গগনযান মিশনেরই বর্ধিত রূপ। গগনযান মিশনের জন্য ইতিমধ্যেই ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। ২০২২ সাল নাগাদ মহাকাশে প্রথম নভশ্চর পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে ইসরোর। তবে, তাঁর আগে একাধিক মহাকাশযান শ্রীহরিকোটা থেকে পাঠানো হবে। চলতি বছরের জুন বা জুলাই মাসে জি স্যাট-৩০ উপগ্রহটি মহাকাশে পাঠাতে চলেছে ইসরো। এদিকে, জুলাই মাসের ১৫ তারিখ চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান-২’। বুধবার এই কথা ঘোষণা করেছেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো-র প্রধান কে শিবান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.