Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
ফোনে খোঁজ নিচ্ছেন মোদি

‘শরীর কেমন আছে?’ ফোনের ওপারে প্রধানমন্ত্রীর গলা শুনে আপ্লুত রাজ্যের বিজেপি নেতারা

করোনা আবহে দলের বর্ষীয়ান নেতাদের ফোন করে খবর নিচ্ছেন মোদি নিজে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৬, ২০২০, ২১:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৬, ২০২০, ২১:৫১

options
link
‘শরীর কেমন আছে?’ ফোনের ওপারে প্রধানমন্ত্রীর গলা শুনে আপ্লুত রাজ্যের বিজেপি নেতারা zoom
Advertisement

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কর্মী নবতিপর রণজিৎ কর। ফোন বাজার পর তা রিসিভ করে রণজিৎবাবু হতভম্ব। বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে ফোনের ওপারে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী! পরিবারের সকলে কে, কেমন আছেন – ফোন করে তার খোঁজ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

আসানসোলের প্রবীন বিজেপি নেতা এস এন লাম্বা। গত ২৪ এপ্রিল দুপুরে ফোন তুলতেই ওপার থেকে ভেসে এসেছিল পরিচিত সেই কন্ঠস্বর। জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনার শরীর কেমন আছে?’ গলা শুনে তাঁর বুঝতে অসুবিধা হয়নি, ফোনের ওপারে থাকা মানুষটি দেশের প্রধানমন্ত্রী। আবার রাজ্যের আর এক প্রবীণ বিজেপি নেতা অনিন্দ্য গোপাল মিত্রর সঙ্গেও ফোনে অনেকক্ষণ কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ফোন করে স্বাস্থ্যের ও পরিবারের খোঁজ নেওয়ায় আপ্লুত সকলেই।

Advertisement

[আরও পড়ুন: লকডাউনে কাশ্মীরের পড়ুয়াদের জন্য নয়া উদ্যোগ, রেডিওতেই চলবে ক্লাস]

লকডাউন চলাকালীন রাজ্যে দলের নেতা,কর্মীদের জনসংযোগ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। ভিডিও কনফারেন্সেও দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা জনসংযোগে আরও জোর দেওয়ার কথা বলেন দিলীপ ঘোষদের। এবার খোদ প্রধানমন্ত্রী দেখিয়ে দিলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে কীভাবে জনসংযোগ জারি রাখতে হয়। গত এক সপ্তাহ ধরেই নরেন্দ্র মোদি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় একশোজন প্রবীন বিজেপি নেতা-কর্মীকে ফোন করে তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন। এই জরুরি পরিস্থিতিতে দলের স্থানীয় নেতাদের তাঁরা পাশে পাচ্ছেন কি না, তাও জানতে চেয়েছেন মোদি। পশ্চিমবঙ্গেরও এই তিন নেতা-কর্মীকে ফোন করে তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন। এক রাজ্য নেতার কথায়, নসংযোগ কীভাবে করতে হয় তা প্রধানমন্ত্রী কার্যত হাতে-কলমে শিখিয়ে দিলেন অনেককে।

[আরও পড়ুন: সংকটের মধ্যেও স্বস্তির খবর, প্লাজমা থেরাপিতে সম্পূর্ণ সুস্থ করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি]

দলীয় সূত্রে খবর, জরুরি পরিস্থিতিতে রাজ্যে রাজ্যে দলের প্রবীন কর্মীদের ফোন করে তাদের খোঁজখবর নেওয়ার কাজের সূচনাটা করে দিলেন নরেন্দ্র মোদি। এবার থেকে রাজ্য নেতাদেরও নিজের এলাকায় দলের প্রবীনদের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে হবে। তাঁদের পাশে থাকতে হবে। তবে শুধু দলের প্রবীণদেরই নয় এলাকার সাধারণ প্রবীন মানুষ যাঁরা দলের সমর্থক নন, তাঁদেরও খোঁজ নিতে হবে বিজেপি নেতাদের। এমনটাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলের তরফে। জানতে হবে এই কঠিন সময়ে প্রবীন, অসহায় মানুষদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না। দলের একাংশের মত, এই পরিস্থিতি দলের নিচুতলার কর্মীদের পাশেও যে দল আছে, সেই বার্তা দিতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.