সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৮ নভেম্বর রাতে আচমকাই নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন তিনি। সারা দেশে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল তাঁর সেই ঘোষণায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় চেয়েছিলেন ৫০ দিন। সে সময়সীমা পূরণ হওয়ার পর ফের বড় ঘোষণা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রে মিলছে সেরকমই ইঙ্গিত।
২ জানুয়ারি লখনউতে জনসভায় বক্তৃতা রাখবেন নরেন্দ্র মোদি। তবে স্রেফ নির্বাচনী জনসভা হিসেবে সেটিকে গণ্য করা হচ্ছে না। বরং বৃহত্তর ঘোষণার মঞ্চ হিসেবেই তা তৈরি করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজেপি নেতারা সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই মঞ্চ থেকেই জনতার জন্য বিশেষ এক ঘোষণা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কী সেই ঘোষণা? বিজেপি সূত্রে খবর, নোট বাতিলের পর প্রধানমন্ত্রীর কথায় অনেক ভোগান্তি মুখ বুজে সহ্য করেছে আম জনতা। এবার তাঁদের খুশি করার জন্য জনমোহিনী কোনও ঘোষণাই আসতে চলেছে প্রধানমন্ত্রীর থেকে।
এই মঞ্চকে তাই স্মরণীয় করে রাখতে কোমর বেঁধে নেমেছেন বিজেপি কর্মীরা। একে তো সামনেই উত্তরপ্রদেশে ভোট। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা। তাই রেকর্ড সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে রাতদিন এক করে কাজ করছেন কর্মীরা। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিজে বুথ কমিটির সঙ্গে কথা বলে সমর্থকদের হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ৮ নভেম্বরের পর থেকে একাধিক জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু এমন সাজো সাজো রব আর কোথাও দেখা যায়নি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বড় কোনও ঘোষণাই অপেক্ষা করছে এই মঞ্চে। একদিকে দেশের মানুষকেও তা জানানো যাবে। অন্যদিকে লখনউয়ের মাটি থেকে তা ঘোষণা করে আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের পালে হাওয়া অনেকটাই কেড়ে নেওয়া যাবে। আর তাই ২ জানুয়ারির জনসভাই এখন পাখির চোখ বিজেপি কর্মীদের।
সর্বশেষ খবর
-
ক্যাম্পাসে বন্দে মাতরম যাত্রা এবিভিপির, বাইরে মিছিল এসএফআইয়ের! ফের তপ্ত যাদবপুর
-
মাতৃভাষাকে ভালোবেসে! বাংলায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপকদের বৃত্তিতে স্কুলে ১ লক্ষ দান প্রাক্তন শিক্ষিকার
-
জলরাক্ষসের আঘাতে এখনও বিধ্বস্ত নেপাল! এর মধ্যেই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তিব্বত
-
চিন আটকে নেই যন্ত্রমানবে, শিল্পায়নে রোবট বিপ্লবের চেনা ছক বদলে দিচ্ছে বেজিং
-
মোদির পোস্টার বিতর্কে রক্ষাকবচ মিললেও শ্রীলেখাকে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের, কী বললেন বিচারপতি?