২৭ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ট্রাম্পের কথা সত্যি হলে মোদি বিশ্বাসঘাতক, তোপ রাহুলের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: July 23, 2019 4:26 pm|    Updated: July 23, 2019 4:26 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে বোমাটি ফাটিয়েছেন, তার জেরে আপাতত আলোড়িত জাতীয় রাজনীতি। বিরোধীদের দাবি, সত্যিই কি কাশ্মীর ইস্যুতে সুর নরম করে মধ্যস্থতার দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সত্যিই কি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে আমেরিকার সাহায্য চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী? এসব প্রশ্নের উত্তর মোদিকেই দিতে হবে। রাহুল গান্ধী যিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতি থেকে নিজেকে কার্যত সরিয়ে রেখেছেন, তিনিও এবার প্রকাশ্যে এলেন। এবং মুখ খুলেই ট্রাম্পের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে মোদিকে তোপ দাগলেন।

[আরও পড়ুন: লক্ষ্য টি-২০ বিশ্বকাপ, ধোনিকে অবসর নিতে বারণ করছে টিম ম্যানেজমেন্টই]

সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতিমধ্যেই কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে তাঁর ‘সাহায্য’ চেয়েছেন। আর মোদির সেই আরজিতে সাড়া দিয়েই তিনি কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে রাজি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বয়ানের পর উত্তাল হয়ে ওঠে ভারতীয় রাজনীতি। বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট মিথ্যাবাদী। তিনি মিথ্যা বলছেন। ভারত কখনওই কাশ্মীর ইস্যুতে তৃতীয় কোনও পক্ষের হস্তক্ষেপের পক্ষে ছিল না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ট্রাম্পের কোনও সাহায্য চাননি। কিন্তু বিরোধীদের দাবি, মোদি যদি ট্রাম্পকে কিছু না’ই বলে থাকেন তাহলে কীসের ভিত্তিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট মধ্যস্থতার দাবি করলেন?

[আরও পড়ুন: ধোনির সেনা প্রশিক্ষণে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অসম্মান কিংবদন্তি ইংরেজ ক্রিকেটারের]

বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে সংসদে বিবৃতি দিয়েছেন। কিন্তু বিরোধীদের দাবি, বিদেশমন্ত্রীর শুকনো বিবৃতিতে চিড়ে ভিজবে না। খোদ প্রধানমন্ত্রীকেই এ নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। এমনকী খোদ রাহুল গান্ধীও তাঁর তথাকথিত শীতঘুম থেকে জেগে উঠেছেন। ট্রাম্পের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে তিনি একটি টুইট করেছেন। যাতে রাহুল বলছেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলছেন মোদি তাঁকে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। যদি সত্যি হয়, তাহলে প্রধানমন্ত্রী গোটা দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। এবং ১৯৭২-এর শিমলা চুক্তি লঙ্ঘন করছেন। বিদেশমন্ত্রীর দুর্বল বিবৃতিতে কাজ হবে না। প্রধানমন্ত্রীকে গোটা দেশের সামনে জবাব দিতে হবে তাঁর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যে কী আলোচনা হয়েছে।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement