Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬
Operation Sindoor

‘প্রধানমন্ত্রী পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন’, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে সগর্বে ঘোষণা সেনাপ্রধানের

আর কী বললেন তিনি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২৫, ১৫:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২৫, ১৫:৪৯

options
link
‘প্রধানমন্ত্রী পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন’, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে সগর্বে ঘোষণা সেনাপ্রধানের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আপারেশন সিঁদুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। ভারতের ইতিহাসে এরকম ঘটনা প্রথম। শনিবার মধ্যপ্রদেশে একটি কলেজের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সগর্বে ঘোষণা করলেন সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। পাশাপাশি, তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই দৃষ্টিভঙ্গি এবং দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে সেনাবাহিনী তাদের কৌশল বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে।

অপারেশন সিঁদুরের বর্ণনা করতে গিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, “অপারেশন সিঁদুর কেবল সামরিক জয়। এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল ভারতের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। সিঁদুর নামটি ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। আমাদের মা-বোনের মাথায় সিঁদুর লাগান। এই সিঁদুর সীমান্তে পাহারা দেওয়া জওয়ানদের জন্য প্রার্থনার প্রতীক। আর অপারেশন সিঁদুর নামটি দিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী।” ভারতের তিন সেনাবাহিনী স্থল, বায়ু এবং নৌসেনার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “ভারতের তিন বাহিনীই শান্ত এবং আত্মবিশ্বাসী ছিল। সেই শান্তভাবই দেশের জনগণকে আশ্বস্ত করেছিল যে তারা নিরাপদে রয়েছে।” 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন চালায় ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে যায় পাকিস্তানের অন্তত ১১টি একধিক বায়ু সেনাঘাঁটি। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের আর্জিতে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় নয়াদিল্লি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.