Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Mumbai rape

‘পুলিশের পক্ষে সব জায়গায় থাকা সম্ভব নয়’, মুম্বই ধর্ষণ কাণ্ডে কমিশনারের মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে

মুম্বইয়ের ‘নির্ভয়া’র করুণ পরিণতিতে গর্জে উঠেছে দেশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১, ১৫:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১, ১৫:৩০

options
link
‘পুলিশের পক্ষে সব জায়গায় থাকা সম্ভব নয়’, মুম্বই ধর্ষণ কাণ্ডে কমিশনারের মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুম্বইয়ের সাকিনাকায় ধর্ষণ ও নৃশংস নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক মহিলার (Mumbai Rape)। মুম্বইয়ের ‘নির্ভয়া’র করুণ পরিণতিতে গর্জে উঠেছে দেশ। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেই মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনারের এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। জাতীয় মহিলা কমিশনের তরফে তীব্র নিন্দা করা হয়েছে তাঁর মন্তব্যের।

ঠিক কী বলেছিলেন মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনার হেমন্ত নাগরালে? তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, উৎসবের মরশুমে যেখানে পুলিশের টহলদারি বেড়েছে, সেখানে কীভাবে এমন অপরাধ ঘটল? তারই উত্তর দিতে গিয়ে কমিশনার বলেন, ”পুলিশ (Mumbai Police) ঘটনাস্থলে ১০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছিল। তাদের পক্ষে প্রতিটি অপরাধের ঘটনায় উপস্থিত থাকা সম্ভব নয়। খবর পেলে তবেই সেখানে যাওয়া সম্ভব। পুলিশ তাদের সেরাটাই দিয়েছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নের বিজ্ঞাপনে কলকাতার উড়ালপুলের ছবি, যোগীকে তুলোধোনা তৃণমূলের]

তাঁর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তোপ দেগেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য চন্দ্রমুখী দেবী। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে কমিশনারের মন্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ”এই ধরনের বিবৃতি অত্যন্ত দুঃখজনক। পুলিশ নিজেদের দায়িত্ব থেকে এইভাবে পালাতে পারে না।”

উল্লেখ্য, শুক্রবার ভোরে মুম্বই পুলিশের কাছে একটি ফোন আসে। জানানো হয়, সাকিনাকার খ্যায়রানি এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় এক মহিলা পড়ে রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে কাছাকাছি টহলরত পুলিশের একটি দলকে সেখানে পাঠানো হয়। দেখা যায়, টেম্পোর ভিতরে মহিলার রক্তাক্ত দেহ পড়ে রয়েছে। তাঁকে উদ্ধার করে পাঠানো হয় রাজাওয়াড়ি হাসপাতালে। জানা যায়, ধর্ষণের (Rape) শিকার হয়েছেন ৩৪ বছরের মহিলা। তাঁর যৌনাঙ্গে রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩৩ ঘণ্টা ধরে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েছিলেন নির্যাতিতা। পরে হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

[আরও পড়ুন: কর্ণাটকের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, প্রতিবাদে সরব কংগ্রেস]

ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোহন চৌহান নামের ৪৫ বছরের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ মনে করছে, এই ঘটনায় আরও একাধিক দুষ্কৃতী জড়িত থাকতে পারে। ইতিমধ্যেই ধৃতকে একপ্রস্থ জেরা করা হয়েছে। ধৃতের কাছ থেকে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.