সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কংগ্রেস (Congress) সরকার বিদ্যুৎ দিত না। অন্ধকারে থাকতে হত বেশিরভাগ সময়। সেকারণেই বেড়েছে দেশের জনসংখ্যা। কর্ণাটকের এক জনসভায় এমনই আজব দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। তাঁর এই মন্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেটা নিয়ে হাসাহাসিও কম হচ্ছে না।
আসলে কর্ণাটকে ভোটের আগে ভোটারদের বিরাট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস। সেরাজ্যের কংগ্রেস সরকার ঘোষণা করেছে, ক্ষমতায় এলে ভোটারদের ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ দেওয়া হবে বিনামূল্যে। হাত শিবিরের সেই ঘোষণার পালটা দিতে গিয়ে কর্ণাটকের এক সভায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ওই আজব দাবি করেছেন। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে,”আপনারা বিশ্বাস করেন যে কংগ্রেস বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেবে? ওদের শাসনকালে তো বিদ্যুৎ পাওয়াই যেত না। ওরা এত কম বিদ্যুৎ দিত যে আমাদের দেশের জনসংখ্যা বেড়ে গিয়েছে।”
[আরও পড়ুন: উপাসনা চলাকালীন জার্মানির গির্জায় ঢুকে তাণ্ডব বন্দুকবাজের, মৃত অন্তত ৭, আহত বহু]
কম বিদ্যুৎ পাওয়া আর জনসংখ্যা বাড়ার মধ্যে যোগসূত্র ঠিক কী? সেটা স্পষ্ট করেননি প্রহ্লাদ জোশী (Prahllad Joshi)। তবে তিনি যে ঠিক কী ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন, সেটা ভালই বুঝে গিয়েছেন নেটিজেনরা। এ নিয়ে বিস্তর হাসাহাসিও হচ্ছে নেটপাড়ায়। কংগ্রেস অবশ্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই অভিযোগ স্পষ্ট খারিজ করে দিয়েছে। হাত শিবিরের বক্তব্য কর্ণাটকে হার নিশ্চিত জেনে ভুলভাল বকছেন বিজেপির নেতারা।
[আরও পড়ুন: ‘কেউ আমাকে পলিটিক্যালি গবেট ভাবতেই পারেন…’, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কাকে বার্তা দিলেন মমতা?]
উল্লেখ্য, কর্ণাটকে (Karnataka) নির্বাচন আসন্ন। সেরাজ্যে এবার বিজেপি বেশ চাপে আছে। বাসবরাজ বোম্বাইয়ের (Basavraj Bommai) সরকারের বিরুদ্ধে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। সেই সঙ্গে রয়েছে দলের গোষ্ঠীকোন্দল। এমনিতেই ঘরে-বাইরে চাপ, তার উপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই হাস্যাস্পদ মন্তব্য ঘুরিয়ে গেরুয়া শিবিরকেই ব্যাকফুটে ফেলে দিচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন
-
সম্ভব হল না অবতরণ! মাঝআকাশে চক্কর রাহুল গান্ধীর বিমানের
-
বিনা অনুমতিতে জবরদখল! ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস থেকে অভিষেককে তুলতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ বাড়ির মালিক
-
কম ফ্যাটের দই মানেই ভেজাল নয়, ২৬ বছর পর হাই কোর্টে বেকসুর খালাস কৃষ্ণনগরের মিষ্টি ব্যবসায়ী