সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেন্দ্রের ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) পরিকল্পনা নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। কংগ্রেস-সহ (Congress) বিরোধী দলগুলি ইতিমধ্যে তীব্র বিরোধিতা করেছে এই ইস্যুতে। যদিও জল্পনা উসকে শর্তসাপেক্ষে মোদি সরকারের এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করলেন ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishore)। তাঁর কথায়, “যদি ইতিবাচক মনোভাবের সঙ্গে দেশের স্বার্থে এই কাজ করা হয়”, তবে এক দেশ এক নির্বাচনকে সমর্থন করবেন তিনি।
প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্য, দেশে একটিমাত্র নির্বাচন হলে আমজনতার ঘাড় থেকে নির্বাচনে খরচের বোঝা অনেকটাই নামানো যাবে। বলেন, “যদি ইতিবাচক উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, চার থেকে পাঁচ বছরের একটি ট্রানজিশন পর্বে, তবে দেশের কাজে আসবে।” আরও বলেন, “ভারতের মতো দেশে ২৫ শতাংশ নাগরিক প্রতি বছর ভোট দেন। বছরের অনেকটা সময় সরকার ভোট নিয়েই ব্যস্ত থাকে। এটা কমে গেলে ভালই হবে। রাজকোষের খরচ কমবে, মানুষ একবারই সিদ্ধান্ত নেবে।” তবে এই সিদ্ধান্ত চটজলদি নেওয়া যায় না বলেও দাবি করেছেন ভোটকৌশলী।
[আরও পড়ুন: ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান, কাশ্মীরি সাংসদকে বেনজির ‘সাজা’ সুপ্রিম কোর্টের]
কেন্দ্রের ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ পরিকল্পনায় প্রশান্তের সমর্থন এল রাহুল গান্ধীর তীব্র বিরোধিতার পরেই। এদিনই রাহুল বলছেন, ”ইন্ডিয়া অর্থাৎ ভারত আসলে রাজ্যের সমাহার। আর এক দেশ এক নির্বাচনের এই ধারণা সেই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে আঘাত।” রাহুল একা নন, কংগ্রেস সার্বিকভাবেই এক দেশ এক নির্বাচনের ধারণার বিরোধিতা করেছে। যার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্র যে ৮ সদস্যের কমিটি গড়েছে, সেটা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন কংগ্রেসের একমাত্র প্রতিনিধি অধীর রঞ্জন চৌধুরী নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। রাজ্যসভার দলনেতা হওয়া সত্ত্বেও কেন মল্লিকার্জুন খাড়গেকে ওই কমিটিতে রাখা হল না? সেই প্রশ্নও তুলেছে হাত শিবির।
[আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে যোগ! মহিলার বিরুদ্ধে ভুয়ো অভিযোগ এনে বিপুল অর্থ লোপাট]
সর্বশেষ খবর
-
একাই বড় করেছিলেন ৪ সন্তানকে, বাবাকে শেষ দেখার সময় হল না কারও, ফোনেই চাইলেন ডেথ সার্টিফিকেট!
-
সৌরভের পর এবার নয়া রিয়ালিটি শো রোহিতের, অবসর-জল্পনার মধ্যে কী বলতে চান হিটম্যান?
-
প্রধান বিচারপতির ককরোচ শব্দের অপব্যবহার! কেন্দ্র, সিবিআইকে নোটিস শীর্ষ আদালতের
-
পরপর ট্রান্সফরমার বিকল! লিফট বন্ধ-জলের আকাল, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জেরবার দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা
-
লক্ষ্য সম্পর্ক দৃঢ় করা, স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে পাঁচ রাজ্যের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণের সিদ্ধান্ত