Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
করোনা আতঙ্ক

করোনা রুখতে কঠোর পদক্ষেপ, সোমবার থেকে একাধিক রাজ্যে লকডাউন

জেনে নিন কোন কোন রাজ্যে লকডাউন হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২০, ১৯:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২০, ১৯:১৫

options
link
করোনা রুখতে কঠোর পদক্ষেপ, সোমবার থেকে একাধিক রাজ্যে লকডাউন zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামিকাল থেকে ‘লকডাউন’ থাকবে উত্তরপ্রদেশের ১৫টি জেলা। করোনা ভাইরাসের মারণ থাবা থেকে রাজ্যবাসীকে বাঁচাতে রবিবার এই ঘোষণা করলেন যোগী আদিত্যনাথ। ২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সমস্ত পরিষেবা।

করোনা আতঙ্কে কম্পমান গোটা বিশ্ব। ভারতে আজ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩৪১, মৃত ৮। এরই মাঝে ‘লকডাউন’ ঘোষণা করা হয় পশ্চিমবঙ্গে। জরুরী পরিষেবা ছাড়া ২৭ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে শহরের নিত্য নৈমিত্তিক কাজ। এমতাবস্থায় ঝুঁকি নিতে রাজি নন যোগী সরকার। তাই তিনিও ২৫ মার্চ পর্যন্ত ‘লকডাউন’ ঘোষণা করেন নিজের রাজ্যের পনেরোটি জেলায়। উত্তরপ্রদেশের এই জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে নয়ডা, গাজিয়াবাদ, আগ্রা, প্রয়াগরাজ, কানপুর, বারাণসী, বরেলি, লখনউ, সাহারানপুর, মীরাট, লখিমপুর, বারাবাঁকি, মোরাদাবাদ, গোরক্ষপুর ও আজমগড়। ৩ দিনের জন্য ‘লকডাউন’ রাখা হবে এই পনেরোটি জেলাকে। যোগী আদিত্যনাথ জানান, এই জেলাগুলিতে কাল সকাল থেকে কোনও বাস চলবে না। এই দিনগুলিতে তিনি নিজের রাজ্যের প্রতিটি জনসাধারণকে বাড়িতে থেকে তাদের নিজ ধর্ম অনুযায়ী প্রার্থনা করার অনুরোধ করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: লটারি কেটেই ভাগ্য বদল! করোনা আতঙ্কের দৌলতেই কোটিপতি শ্রমিক]

এই রাজ্যগুলির সঙ্গে তাল মিলিয়ে দিল্লিতেও ‘লকডাউন’ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে আজ প্রতিটি বাড়িতে মানুষ গৃহবন্দি থেকে সফল করে তোলেন এই কারফিউকে। তারপরই ৩১ মার্চ পর্যন্ত দিল্লিকে ‘লকডাউন’ করার কথা ঘোষণা করেন তিনি। অন্যদিকে আজ রাত ৯টার পর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ‘লকডাউন’ হয়ে যাচ্ছে হরিয়ানা। আগামিকাল সর্বদল বৈঠকের ডাক দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেল ৫টার পর থেকে ‘লকডাউন’ হবে গোটা রাজ্য। ‘লকডাউন’ করা হল তেলেঙ্গানাকেও। অত্যাবশকীয় পরিষেবা ছাড়া কিছুই পাওয়া যাবে না এই রাজ্যগুলিতে।

[আরও পড়ুন: এবার করোনার বলি সুরাটের বৃদ্ধ, মৃত্যুর হার বাড়াচ্ছে উদ্বেগ]

অন্যদিকে, এদিন সকাল থেকেই শুনশান ছিল কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া নিয়ে নিজেদের বাড়িতে আটকে রেখেছিলেন সব মানুষ। ঘড়ির কাঁটায় ৫টা বাজতেই বাড়ি থেকে ঘণ্টা, কাঁসর, থালা বাজিয়ে জরুরি পরিষেবা প্রদানকারীদের স্যালুট জানান কলকাতা-সহ দেশবাসী। আর তা দেখেই অভিভূত হয়ে দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.