Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
TMC symbol

‘ভোট চুরি, সরকার চুরির পর দল চুরি’, জোড়াফুল ‘হারানো’ মমতার পাশে দাঁড়িয়ে কমিশনকে তোপ রাহুলের

নিজে এঁকেছিলেন দলের প্রতীক। কিন্তু সেই জোড়াফুল ব্যবহারের অধিকার আপাতত হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১২:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১২:৫৯

options
link
‘ভোট চুরি, সরকার চুরির পর দল চুরি’, জোড়াফুল ‘হারানো’ মমতার পাশে দাঁড়িয়ে কমিশনকে তোপ রাহুলের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

নিজে এঁকেছিলেন দলের প্রতীক। কিন্তু সেই জোড়াফুল ব্যবহারের অধিকার আপাতত হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ফের ভোট চুরি, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিজেপির আঁতাত-এসব অভিযোগ তুলল বিরোধীরা। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর তোপ, একটা গোটা দলই চুরি হয়ে গেল, তাহলে এটা বিশ্বাস করা যেতেই পারে যে কোটি কোটি মানুষের ভোটও চুরি হয়েছে। অন্যদিকে আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের খোঁচা, মমতার হাত থেকে ঘাসফুল কেড়ে নিয়ে আসলে প্রধানমন্ত্রী জন্মদিনের উপহার দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার তৃণমূলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে অন্য প্রতীকে লড়তে হবে মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থীদের। কমিশনের নির্দেশ, ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক ব‍্যবহার করতে পারবে না কোনও পক্ষই। সেখানে লড়ার জন্য বিকল্প নাম এবং প্রতীক ব্যবহার করতে হবে প্রার্থী। জাতীয় রাজনীতিতে সাম্প্রতিক অতীতে একাধিকবার এমন ঘটনা ঘটেছে। শিব সেনা এবং এনসিপিতেও একইভাবে দলের অন্দরে ‘বিদ্রোহ’ হয় এবং শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহীরা বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএতে যোগ দেন। দলের মূল প্রতীকও আসে তাঁদের হাতেই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে রাহুল লেখেন, ‘শিব সেনা, এনসিপির পর এবার তৃণমূল কংগ্রেস। প্রত্যেকবার একইভাবে বিজেপি আর নির্বাচন কমিশন একজোট হয়ে একটা দল ভেঙে দেয় আর প্রতীক ছিনিয়ে নেয়। যখন একটা দলই চুরি হয়ে যাচ্ছে, তখন কোটি কোটি মানুষের ভোট চুরি হচ্ছে-এটা বিশ্বাস করতে সমস্যা নেই। ভোট চুরি, সরকার চুরির পর দল চুরি হয়েছে-এটাই আমাদের গণতন্ত্রের পতনের নিদর্শন। সাংবিধানিকভাবে কমিশনের উচিত জনমতকে রক্ষা করা। কিন্তু তারা এখন সর্বশক্তি দিয়ে জনমত পালটে দিতে চাইছে।’

লোকসভার বিরোধী দলনেতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই লড়াই মোটেই মমতার একার নয়। স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন চাওয়া প্রত্যেক দলের সংগ্রাম। কেজরিওয়ালও একই সুরে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর তোপ, এইভাবে ভোটে জিততে চাইছে বিজেপি? তাহলে কি প্রতীক ‘হারানো’র পর কি ইন্ডিয়ার জোটসঙ্গীদের পাশে পাবেন মমতা?

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.