Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
রাহুল গান্ধীর হাজিরা

‘সব মোদিই চোর’, বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে আদালতে রাহুল

রাহুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন বিজেপি বিধায়ক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০১৯, ১৪:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০১৯, ১৪:৫২

options
link
‘সব মোদিই চোর’, বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে আদালতে রাহুল zoom
ফাইল ফটো
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভার আগে তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতির প্রতিটি ভাষণই ছিল ঝাঁঝালো। যখন যেভাবে সুযোগ পেয়েছেন, মোদি তথা আরএসএসকে তোপ দেগেছেন তিনি। রাফালে ইস্যু তো ছিলই সেই সঙ্গে ছিল নীরব মোদি, ললিত মোদিদের মতো দেশত্যাগী ঋণখেলাপীদের প্রসঙ্গও। এসব নিয়ে বলতে গিয়েই একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেন রাহুল। একাধিক জনসভায় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ললিত মোদি থেকে শুরু করে নরেন্দ্র মোদি। সব মোদিই চোর। যাঁর জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের হয়। বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানি ছিল গুজরাটের সুরাটে। এদিন আদালতে শশরীরে হাজির ছিলেন রাহুল।

[আরও পড়ুন: ফের সেভিংস অ্যাকাউন্ট এবং ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার কমাল স্টেট ব্যাংক]

নির্বাচন চলাকালীন বেশ সুর কেটেই প্রধানমন্ত্রীকে তোপ দেগেছিলেন রাহুল। “নীরব মোদির হীরে কেলেঙ্কারি, ললিত মোদির আইপিএল কেলেঙ্কারি এবং নরেন্দ্র মোদির রাফালে কেলেঙ্কারি। সব চোরের পদবিই মোদি হয়।” গত ১৩ এপ্রিল কর্ণাটকের কোলরে এই মন্তব্য করেন রাহুল। কংগ্রেস সাংসদের এই মন্তব্যে বেজায় চটে যায় মোদি সম্প্রদায়ের একাংশ। তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে সুরাটের একটি আদালতে মামলা ঠুকে দেন বিজেপি বিধায়ক পূর্ণেশ মোদি। আজ সেই মামলার শুনানি ছিল। এদিন, রাহুলের উপস্থিত থাকার প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু, সদ্য দেশে ফেরা রাহুল শশরীরেই সুরাট যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সুরাটে রাহুলকে ঘিরে কংগ্রেস কর্মীদের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। কংগ্রেস কর্মীদের উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে টুইটও করেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পুজোর পরেই কল্পতরু কেন্দ্র! ডিএ বাড়ল সরকারি কর্মচারীদের]

আদালতে রাহুল বলেন, “আমি শুধু বলেছিলাম সব চোরেদের পদবি মোদি। কিছু ভুল বলিনি।” কংগ্রেস নেতার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির আইনজীবী এরপরই এই মামলায় আদালতে তাঁর শশরীরে হাজিরা দেওয়া থেকে নিষ্কৃতি চান। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য্য করা হয়েছে ১০ ডিসেম্বর। সেদিনই রাহুলের আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। সেদিন কংগ্রেস নেতাকে শশরীরে আদালতে হাজির হতে হবে না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.