৬ আশ্বিন  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

মণিশংকর চৌধুরি, শিলং: রবিবার মনে হয়েছিল, সেদিনই শিলং পর্বের ইতি ঘটবে। কিন্তু রাত প্রায় ১১ টা নাগাদ জানা গেল, তেমনটা নয়। সোমবারও হাজির হতে হবে রাজীব কুমার এবং কুণাল ঘোষকে। সেই মতো এদিন সকাল সাড়ে দশটার মধ্যেই শিলংয়ের সিবিআই দপ্তরে পৌঁছে গেলেন কুণাল ঘোষ। বেলা ১১ টা নাগাদ হাজির হন রাজীব। এদিনও রাজীব কুমার ও তাঁকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হবে।

[চারদিন নিখোঁজ থাকার পর কাঁথির তৃণমূল নেতার দেহ উদ্ধার হুগলিতে]

প্রথম দিন আট ঘণ্টা জেরার পর রাজীব কুমারকে দ্বিতীয় দিনও ম্যারাথন জেরা করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দপ্তরের আধিকারিকরা। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কিছু সময়ের জন্য মুখোমুখি বসানো হয়েছিল সঙ্গে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদকে। মুখোমুখি বসিয়েই জেরা হোক, এমনটা আগে থেকেই চেয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। সিবিআইকে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করবেন বলেও জানান তিনি। এদিন বেশ হালকা মেজাজেই দপ্তরে প্রবেশ করেন সাংবাদিক। সূত্রের খবর, ফের মুখোমুখি বসিয়েই জেরা করা হবে দুজনকে। এদিন সারদা চিটফান্ড কাণ্ডের পাশাপাশি রোজভ্যালি সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নের সম্মুখীনও হতে পারেন তাঁরা।

এদিকে, প্রথম দিন কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে সিবিআই দপ্তরে যতটা আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল, দ্বিতীয়দিন তাঁর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কিন্তু তেমন ছিল না। বরং খানিকটা উদ্বিগ্নই মনে হচ্ছিল তাঁকে। লাগাতার জেরার কারণে ক্লান্তও ছিলেন তিনি। আগে কুণাল যে যে অভিযোগ এনেছিলেন সেগুলি সম্পর্কে সিপিকে প্রশ্ন করা হয় বলে সিবিআই সূত্রের খবর। সিবিআই দলের নেতৃত্বে ছিলেন কলকাতায় ‘নিগৃহীত’ সিবিআই আধিকারিক তথাগত বর্ধন। আজও তিনিই দুজনকে জেরা করবেন। যদিও জেরায় কী ধরনের প্রশ্ন করা হয়েছে, তা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি রাজীব। সিবিআইয়ের তরফেও গোটা বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে। এদিন উভয়পক্ষের সৌজন্য বিনিময়ের পরই শুরু হচ্ছে জেরা। শোনা যাচ্ছে, আজ উভয়ের বয়ানই রেকর্ড করা হতে পারে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং