সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এত দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটেছিল সোমবার। অযোধ্যায় রামমন্দিরের (Ram Temple) উদ্বোধন হয়েছে। নতুন মন্দিরে প্রাণ পেয়েছে রামলালা। সোমবার দিনভর উৎসবে মেতেছিল অযোধ্যা (Ayodhya)নগরী। সন্ধে নামতেই অকাল দীপাবলি। সরযূতট সেজে উঠেছিল আলোকমালায়। আর মঙ্গলবার ভোর থেকে সেখানে চিত্র আলাদা। রামমন্দিরের সামনে দীর্ঘ লাইন। রামলালা দর্শনে উৎসাহী ভক্তরা ভিড় জমিয়েছেন।
সকাল ৭টা থেকে খুলে গিয়েছে মন্দিরের দরজা। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দির। পরে আবার দুপুর ২টো থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত রামলালা দর্শন চলবে। সকাল সাড়ে ৬টায় ‘জাগরণ’ অর্থাৎ আরতি এবং সন্ধে সাড়ে ৭টায় সন্ধ্যারতি হবে। তা অনলাইনেও দেখতে পাবেন ভক্তরা।
[আরও পড়ুন: মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি, শুটিং ছেড়েই গেরুয়া পতাকা হাতে নাচ রাজপাল যাদবের]
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ মাহেন্দ্রক্ষণে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। দেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। কথা ছিল, প্রাণপ্রতিষ্ঠার একদিন পর অর্থাৎ ২৪ জানুয়ারি রামমন্দিরে দ্বার খুলে দেওয়া হবে ভক্তদের জন্য। কিন্তু ভক্তদের আবেগ দেখে সিদ্ধান্ত বদল হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর থেকেই রামলালা দর্শনের জন্য ভক্তরা লাইন দিলেন মন্দিরের বাইরে।
[আরও পড়ুন: মমতার সংহতি মিছিলে নয়, বামেদের BJP-RSS বিরোধী সম্মেলনে ব্রাত্য বসু]
ভোরের অযোধ্যা নগরীর সে এক অন্য রূপ। রাতের আঁধার তখনও কাটেনি। অথচ ভক্তদের জমায়েত, পুজোর তোড়জোড়ে মুখরিত মন্দির সংলগ্ন এলাকা। ভোর ৩টে থেকে পুজোর ডালি হাতে মন্দিরের সামনে লাইনে দাঁড়িয়েছেন প্রাণপ্রতিষ্ঠার পরই রামলালার মুখদর্শন করবেন বলে। এ তো বহুদিনের স্বপ্ন। সেই স্বপ্নপূরণে আর একটুও দেরি করতে রাজি নন কেউ। ভিড় সামলাতে রামমন্দিরের সামনে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও যথেষ্ট আঁটসাঁট। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সদাসর্বদা সতর্ক রক্ষীরা। মঙ্গলবারের ভিড়ই বুঝিয়ে দিচ্ছে আগামী দিনগুলিতে অযোধ্যা ভক্ত সমাগমে পরিপূর্ণ হতে চলেছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘বন্ধ হওয়া সিঙ্গল স্ক্রিনগুলি খুলুক’, বাংলা সিনেমার স্বার্থে বিজেপি সরকারকে আর্জি যিশুর
-
দাউদাউ আগুনে জ্বলে উঠল বৃদ্ধাশ্রম, মৃত্যু ১১ জনের!
-
কলকাতা বন্দরে দেশবিরোধীদের মদত তৃণমূল মাফিয়াদের! গোয়েন্দা নজরদারির পথে রাজ্য সরকার
-
পুরনো ফোন বিক্রি করলে তথ্য বেহাত হবে না তো? এই সহজ পদ্ধতিতে থাকুন নিরাপদ
-
পরিবহণ বিপ্লব শুভেন্দুর, কলকাতায় প্রথম ওয়াটার মেট্রো, সাগরমালায় জুড়ল বাংলা