Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Punjab Congress

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত দল, ‘সম্ভাবনাময়’ পাঞ্জাব বাঁচাতে পাইলটকে দায়িত্ব কংগ্রেসের

ক্ষমতায় আপ, দ্রুত শক্তি বাড়াচ্ছে বিজেপি, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এখনও জর্জরিত গোষ্ঠীকোন্দলে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ১৬:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ১৬:১৬

options
link
গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত দল, ‘সম্ভাবনাময়’ পাঞ্জাব বাঁচাতে পাইলটকে দায়িত্ব কংগ্রেসের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

কংগ্রেসের সংগঠনে বড়সড় রদবদল। ফের বড় দায়িত্ব পেলেন শচীন পাইলট। ভুপেশ বাঘেল-কে সরিয়ে পাঞ্জাব কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হল রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীকে। সদ্য কেরলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামলেও কংগ্রেস যে অনবদ্য ফল করেছে, তার অন্যতম কারিগর পাইলট।

আগামী বছরের শুরুর দিকে যে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন, সেই পাঁচ রাজ্যের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের পর সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে পাঞ্জাবে। সেরাজ্যে এবার লড়াই বহুমুখী। শাসক আম আদমি পার্টি প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার সম্মুখীন। যার সুযোগ নিয়ে দ্রুত রাজ্যে জমি শক্ত করছে বিজেপি। ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় অকালি দলও। সব দলই নিজেদের মতো জনসংযোগ শুরু করেছ। কিন্তু এসবের মধ্যে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস খানিকটা যেন পিছিয়ে। এখনও দল সেভাবে প্রচারেই নামতে পারেনি মূলত গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই মুহূর্তে পাঞ্জাব কংগ্রেস দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে প্রদেশ সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং, অন্যদিকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি। ভোটের মুখে চান্নি চাইছিলেন তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হোক। কিন্তু কংগ্রেসের পুরনো নীতি যে রাজ্যে দল ক্ষমতায় নেই সে রাজ্যে কাউকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয় না। চান্নির বক্তব্য ছিল, নিদেনপক্ষে রাজা ওয়ারিংকে সরিয়ে তাঁর বা তাঁর শিবিরের কাউকে রাজ্য সভাপতি করা হোক। অন্যদিকে পাঞ্জাব কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক ভুপেশ বাঘেল কোনওভাবেই ওয়ারিংকে সরাতে রাজি ছিলেন না। এমনকী চান্নি শিবিরের সঙ্গে তাঁর সরাসরি সংঘাতও চোখে পড়েছে একাধিকবার। যার জেরে চান্নি শিবির বাঘেলকে পর্যবেক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জোরালো দাবি জানাচ্ছিল।

শেষমেশ হাইকম্যান্ড সেই দাবি মেনে নিল। বাঘেলকে সরিয়ে পর্যবেক্ষক করা হল ‘সফল’ শচীন পাইলটকে। তাঁর মূল চ্যালেঞ্জ দুই গোষ্ঠীকে একত্রিত করে আপ এবং বিজেপির কাছে নিজেদের চ্যালেঞ্জ হিসাবে তুলে ধরা। বস্তুত, পাঞ্জাবকে কংগ্রেস এখনও সম্ভাবনাময় রাজ্য হিসাবেই দেখছে। সে রাজ্যে এখনও প্রধান বিরোধী কংগ্রেস। অন্য রাজ্যের তুলনায় দলে ভাঙনও কম। গত লোকসভা ভোটেও সেরাজ্যে ভালো ফল করেছে হাত শিবির। কিন্তু সেই সম্ভাবনাময় রাজ্যে গোষ্ঠীকোন্দল বড়সড় মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে কংগ্রেসের জন্য। সমস্যা হল, কংগ্রেস চান্নিকেও উপেক্ষা করতে পারছে না। কারণ দলের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষায়, তিনিই সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসাবে উঠে এসেছেন। তাছাড়া পাঞ্জাবে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দলিতের বাস। দলিতদের মধ্যে চান্নির প্রভাব রয়েছে। আবার জাঠ শিখদের মধ্যে প্রভাব রয়েছে ওয়ারিংয়ের। এই জাঠ শিখরা আবার পাঞ্জাবের রাজনীতির নিয়ন্ত্রক হিসাবে পরিচিত। ফলে ওয়ারিংকেও উপেক্ষা করা যায় না। এখন পাইলট সবদিক ব্যালেন্স করে দলকে চ্যালেঞ্জার হিসাবে তুলে ধরতে পারেন কিনা, সেটাই দেখার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.